kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


চীনের প্রেসিডেন্টের ঢাকা সফরকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ অক্টোবর, ২০১৬ ১১:১৪



চীনের প্রেসিডেন্টের ঢাকা সফরকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের ঢাকা সফরকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি। দলটির নেতারা মনে করছেন, ভূরাজনৈতিক দিক থেকে এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

তাঁরা আশা করছেন, এই সফরের মধ্য দিয়ে বন্ধুপ্রতিম দুই দেশের সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।
আজ শুক্রবার ঢাকা আসছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বাংলাদেশ সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ অন্যান্য খাতে ‘নিবিড় সহযোগিতার নতুন যুগের’ সূচনা হবে।
চীনের প্রেসিডেন্টের দুই দিনের এই সফরে সংসদের বাইরে থাকা দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গেও তাঁর বৈঠক হবে। বিকেল পাঁচটায় রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
চীনের প্রেসিডেন্টের এই সফরকে বিএনপি কীভাবে দেখছে—জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ভূরাজনৈতিক দিক থেকে চীনের প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ। চীন বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু। জিয়াউর রহমানের সময় থেকে চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক, কূটনীতিক ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক দৃঢ় হয়েছে। এই সফরে সে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে তাঁরা আশা করছেন। সেই সঙ্গে তাঁরা আশাবাদী বাংলাদেশে চীন আরও বড় বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য মাহবুবুর রহমান  বলেন, চীন বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম দেশ। তাঁর এই সফরকে বিএনপি স্বাগত জানায়। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ সব সময় চীনের সহযোগিতা পেয়েছে। বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, বাণিজ্য, উন্নয়ন সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আজ যে জায়গায় এসেছে সেখানে চীনের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা আছে। এখনো বাংলাদেশের যে উন্নয়ন দরকার বিশেষত অবকাঠামো খাতে সেখানে চীনের মতো দেশের সহযোগিতা জরুরি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য মনে করেন, বাংলাদেশের উচিত হবে চীনকে এই বার্তা দেওয়া যে, তাদের ওপর বাংলাদেশের পূর্ণ আস্থা আছে।
তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এই সফরকালে চুক্তি করার ক্ষেত্রে দুই দেশের স্বার্থরক্ষার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘অন্যের লাভের জন্য যেন আমার ঘাড়ে চাপ না পড়ে। ’ গতকাল এক অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের আরও বলেন, চীনের প্রেসিডেন্টের এই সফর থেকে তাঁরা ভালো কিছু প্রত্যাশা করছেন। বাংলাদেশের তুলনায় অন্য যেকোনো দেশ তাদের স্বার্থটা বেশি বোঝে। পারস্পরিক স্বার্থ যাতে রক্ষা পায়, সেভাবে চুক্তি করতে হবে। কী চুক্তি হতে যাচ্ছে, তা নিয়ে পুরোপুরি অন্ধকারে আছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করব ভালো কিছু হবে। ’


মন্তব্য