kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জিয়াউর রহমান শরীরে মুক্তিযোদ্ধার সাইনবোর্ড লাগিয়ে ছিলেন : আমু

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ অক্টোবর, ২০১৬ ১৯:৪৭



জিয়াউর রহমান শরীরে মুক্তিযোদ্ধার সাইনবোর্ড লাগিয়ে ছিলেন : আমু

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, জিয়াউর রহমান তার শরীরে মুক্তিযোদ্ধার সাইনবোর্ড লাগিয়ে ছিলেন। তিনি কোন যুদ্ধ ক্ষেত্রে না গিয়ে পাকিস্তানিদের দালাল হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে অনুপ্রবেশ করেছিলেন।

পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে যুক্ত হয়ে জিয়াউর রহমান এই দেশকে পাকিস্তানি কাঠামোতে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।  
ঝালকাঠি সদর উপজেলার শেখেরহাট ইউনিয়নে আজ শনিবার দুপুরে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের উদ্বোধন উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
তিন কোটি ৮৩ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত ১০ শয্যা বিশিষ্ট আব্দুল খালেক খান মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘এই দেশের রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িকতার কোন সুযোগ ছিল না। তথা কথিত মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান এই দেশের সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি শুরু করেন বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গোলাম আজমের নাগরিকত্ব না থাকা সত্ত্বেও তাকে দেশে এনে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেন জিয়াউর রহমান। এমনি করে মুক্তিযোদ্ধা বিরোধী শক্তিদের তিনি পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন।  
বর্তমান সরকারের আমলে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে দাবি করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘কমিউনিটি ক্লিনিক করার মাধ্যমে গ্রামের মানুষ আজ ভাল মানের স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছেন। আজ দেশে মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসানুল কবির আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শাহ মোহাম্মদ হান্নান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন খান সুরুজ।  
উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহ আলম, জেলা প্রশাসক মিজালুন হক চৌধুরী, পুলিশ সুপার সুভাষ চন্দ্র সাহা, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক মো. সুলতান হোসেন খান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সালাহ্উদ্দিন আহম্মেদ সালেক প্রমুখ।


মন্তব্য