kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ফখরুলকে রক্ষা করতেই সেদিন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম : কাদের সিদ্দিকী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ অক্টোবর, ২০১৬ ১৬:০৯



ফখরুলকে রক্ষা করতেই সেদিন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম : কাদের সিদ্দিকী

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে 'রক্ষা' করতেই সেদিন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আবদুল কাদের সিদ্দিকী।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর পুরানা পল্টনের একটি হোটেলে শত নাগরিক কমিটি আয়োজিত 'রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের প্রয়োজনীয়তা : হুমকির মুখে সুন্দরবন' শীর্ষক এক সেমিনারে কাদের সিদ্দিকী এ কথা বলেন।

রাজধানীর গুলশান ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার পর এর বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিল বিএনপি। এরই অংশ হিসেবে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী গত ৪ আগস্ট বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে তাঁর গুলশানের বাসায় সস্ত্রীক মতবিনিময় করেন।

সেমিনারে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ''আপনারা অনেকে জানেন, ক'দিন আগে আমি খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছিলাম। সেখানে বলেছিলাম, আমি কোনো দিন প্রেম করিনি। আমার প্রেম হচ্ছে বঙ্গবন্ধু, আমার প্রেম হচ্ছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুকে যা-তা বলবেন, আর আমি পাশে বসে আঙুল চুষব! আমি আগাগোড়া কখনও আঙুল চোষা মানুষ ছিলাম না। আমার স্ত্রীর ফ্যামিলিরা আঙুল চোষে, কিন্তু আমি ও আমার পরিবার আঙুল চোষার লোক না। সেদিন বলে এসেছিলাম, জামায়াতের সঙ্গে স্বর্গেও যাব না। ''

খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের আগের দিন অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদকে নিয়ে জামায়াতের ইসলামীর একটি প্রতিক্রিয়ার ঘটনার উল্লেখ করেন কাদের সিদ্দিকী। তিনি বলেন, ''৩ তারিখে (৩ আগস্ট) জামায়াত একটি রিঅ্যাকশন দিয়েছিল। তারা বলেছিল, অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ বিএনপির কেউ নন। তাঁর মতামত (২০ দলীয় জোট সম্পর্কে) দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই এবং তারা এর নিন্দাও করেছিল। আমি ভেবেছিলাম, ৪ তারিখের আলোচনায় যাব না। তারপরও আমি গিয়েছিলাম তাদের (বিএনপির) অনেক অনুরোধে। গিয়েছিলাম ফখরুল ইসলামকে রক্ষা করার জন্য। ''

সেমিনারে কাদের সিদ্দিকী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর সাম্প্রতিক একটি বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে বলেন, ''ভারতের একজন মন্ত্রী সেদিন বলেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীন করে আওয়ামী লীগের হাতে তুলে দিয়ে গেছেন। ঔদ্ধত্যের একটা সীমা আছে। ''


মন্তব্য