kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


'রমনা পার্কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২০:৪২



'রমনা পার্কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে'

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, সরকার রমনা পার্কে দর্শনার্থীদের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিতে বিরল জাতের গাছের চারা রোপণ করে এর সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
তিনি রমনা পার্কের রমনা রেস্তোরাঁয় এক সভায় বলেন,‘আমরা রমনা পার্কের গৌরবময় ঐতিহ্য বজায় রাখার মধ্য দিয়ে এটি কিভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে স্টেকহোল্ডারসহ পরিবেশবিদ, স্থপতি ও দর্শনার্থীদের পরমর্শ গ্রহণ করেছি।

’ 
সভায় বক্তৃতা করেন- গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. শহীদুল্লাহ খন্দকার, গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. হাফিজুর রহমান, বিশিষ্ট উদ্ভিদবিজ্ঞানী অধ্যাপক দ্বিজেন শর্মা ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দেলনের যুগ্ম-সচিব শাহজাহান মৃধা প্রমুখ।
রমনা পার্কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য বিভিন্ন দিক নিয়ে পৃথক বক্তব্য উপস্থাপন করেন- স্থপতি তুঘলক আজাদ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কাজী মো. আবু সাঈদ।
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ বলেন, ‘দেশি ও আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করার জন্য আমাদেরকে এখানে ফুলগাছ, বৃক্ষসহ বিভিন্ন বিরল প্রজাতির চারা রোপণ করতে হবে। ’
মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর মাধ্যমে রমনা পার্ককে একটি আধুনিক বিনোদনমূলক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘রমনা পার্কের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য চারা রোপণ করতে কিছু কাঠ এবং ফলজ গাছ কেটে ফেলতে হবে। ’
তিনি বলেন, সৌন্দর্যায়ন উদ্যোগের পাশাপাশি সরকার রমনা পার্কে নিরাপত্তা বাড়ানো এবং এটাকে আরো পরিদর্শক বান্ধব করবে।  
মন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান ছাড়া কর্তৃপক্ষ রমনা পাকের্র ভিতরে পার্কের ক্ষতিসাধিত হয় এমন কোনো কিছু করতে দেবে না।  
তুঘলক আজাদ বলেন, বাংলাদেশ ভাটির দেশ, যা নদী, জলাভূমিতে ভরে আছে। সারাদেশের জলাভূমিতে বিভিন্ন রঙের জলপদ্ম (শাপলাসহ) রয়েছে। আমরা রমনা পার্কের লেকে বিভিন্ন রঙের জলপদ্মের চারা রোপণ করে পার্কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে পারি।


মন্তব্য