kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নতুন দল গড়ার ঘোষণা জিয়া'র ভাইয়ের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ মার্চ, ২০১৬ ১৯:০৯



নতুন দল গড়ার ঘোষণা জিয়া'র ভাইয়ের

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছোট ভাই আহমেদ কামাল নতুন দল গড়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সেমিনার হলে এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

  ‘শহীদ জিয়ার আদর্শ ও বিপন্ন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার’ শীর্ষক এক আলোচনা সভার আয়োজন করে ‘শহীদ জিয়া ও জাতীয়তাবাদী আদর্শ বাস্তবায়ন পরিষদ’ নামের একটি সংগঠন। এতে সভাপতিত্ব করেন আহমেদ কামাল। আলোচনা সভায় বিএনপির সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত সাবেক হুইপ আশরাফ হোসেন, দৈনিক দিনকালের সাবেক সম্পাদক কাজী সিরাজ, বিকল্পধারার সাবেক নেতা শেখ শহীদুল ইসলাম, সাবেক আইন কর্মকর্তা হোসনে আরা, আইনজীবী প্রদীপ কুমার সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে আহমেদ কামাল বলেন, বিএনপির বর্তমান নাজুক অবস্থা দেখে কিছু কথা না বলে পারছি না। মাঝে মাঝে দুঃখ হয় যখন দেখি, আমার ভাই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ-নীতির সঙ্গে বিএনপির অনেক কর্মকাণ্ডের এখন মিল নেই। মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে এখন বিতর্ক সৃষ্টি করা মোটেই সঠিক নয় বলে আমি মনে করি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে। একে অপরের প্রতি কাদা ছোড়াছুড়ি ও নোংরা রাজনীতি থেকে সব দলকে বেরিয়ে আসতে হবে। একটি স্বার্থান্বেষী মহল ও স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে বিএনপির নেতৃত্ব এবং বিএনপির চেয়ারপারসনকে ভুল পথে পরিচালিত করার অপচেষ্টা করছে। তারা চেয়ারপারসনকে ভুল পরামর্শ ও তথ্য দিয়ে অন্ধকারে রাখতে চান। ’

ওই চক্রের ভুলের কারণে জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী দলের ত্যাগী ও প্রবীণ নেতা এবং তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মাশুল দিতে হচ্ছে বলেও মনে করেন আহমেদ কামাল।

তিনি বলেন, আমার ভাইয়ের হাতে গড়া বিএনপিকে ও তার আদর্শ বাস্তবায়িত এবং দলকে সঠিক পথে সুসংগঠিত করার জন্য একজন সহযোদ্ধা হিসেবে আপনাদের পাশে আছি, থাকব। আমি ক্ষমতার লোভে রাজনীতি করতে চাই না। দেশের এই দুর্দিনে বিএনপির পাশে থেকে সেবা করতে চাই।

বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে আহমেদ কামাল, আওয়ামী সরকার গণতন্ত্রের কথা বলে, কিন্তু দেশের কোথাও গণতন্ত্রের লেশমাত্র নেই। মানুষের স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার নেই। বিরোধী দলের বাকস্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ মিটিং-মিছিল করার অধিকার হরণ করা হয়েছে।

 


মন্তব্য