kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া ও তারেক

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ মার্চ, ২০১৬ ১৭:৪১



বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া ও তারেক

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান।   চেয়ারপারসন ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনের জন্য ২৯ ফেব্রুয়ারি তফসিল ঘোষণা করে বিএনপি।

১৯ মার্চ দলের শীর্ষ এ দুই পদে নির্বাচন হবে। ৪ মার্চ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্বাচন পরিচালনা কমিশনের অস্থায়ী অফিসে রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে।

বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্থাপিত রিটার্নিং অফিসারের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে  তাদের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু এই দুই পদে অন্য কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেননি। বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালনকারী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দেওয়া হচ্ছে। সকাল ১০টা থেকে ৪টা পর্যন্ত তা চলে। সকাল পৌনে ১১টায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী খালেদা জিয়ার মনোনীত নির্বাচিত এজেন্ট রুহুল কবির রিজভী তার নিয়োগপত্র জমা দেন। পরে তিনি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়ন সরবরাহ করেন।

এদিকে, বিকেল তিনটা ২৭ মিনিটে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদে তারেক রহমান তার মনোনীত নির্বাচনী এজেন্ট মোহাম্মদ শাহজাহান তার নিয়োগপত্র জমা দেন। পরে তিনি সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়ন গ্রহণ করেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম দলের চাঁদাদাতা সদস্য যাদের বয়স ত্রিশ বছরে বেশি তারা যে কেউ এ সময় পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। কিন্তু আর কেউ মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি। তারপরও তাদের নির্বাচিত ঘোষণা করতে পারবেন না। তাদের ফরম জমাদানের পর বাছাই করে দেখতে হবে শুদ্ধ আছে কি-না? শুদ্ধ থাকলেও হবে না। কারণ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ৬ মার্চ। যদি কেউ প্রত্যাহার করে ফেলেন তাহলে তাকে নির্বাচিত করা যাবে না। তাই ৬ মার্চ বিকেল চারটা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তারপর আমাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করবেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল মান্নান।


মন্তব্য