• ই-পেপার

বর্তমানে দেশে কোনো গণতন্ত্র নেই: এরশাদ

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে যুবদলের শ্রদ্ধা

অনলাইন ডেস্ক
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে যুবদলের শ্রদ্ধা
সংগৃহীত ছবি

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে নবগঠিত জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি।

শনিবার (১৩ জুন) বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুবদলের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদনের পর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর ও বিভিন্ন জেলার বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর এটিই ছিল যুবদলের প্রথম বড় কর্মসূচি। এ উপলক্ষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে ব্যাপক নেতাকর্মীর সমাগম ঘটে।

এ সময় বিভিন্ন জেলা, মহানগর ও ইউনিটের নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় পতাকা নিয়ে কর্মসূচিতে অংশ নেন।

৩০০ ফিটে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোডাউন

অনলাইন ডেস্ক
৩০০ ফিটে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোডাউন
সংগৃহীত ছবি

 

রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় হাজার হাজার আর্জেন্টিনা সমর্থকরা একটি বর্ণাঢ্য আনন্দমিছিল ও শোডাউন করেছেন। বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠা সমর্থকেরা এ সময় প্রিয় দলের বিশাল পতাকা ও জার্সি হাতে নিয়ে মোটরসাইকেল ও গাড়িতে করে আনন্দমিছিল করেন এবং স্লোগানে পুরো এলাকা মাতিয়ে রাখেন।

শুক্রবার অনুষ্ঠিত এ আনন্দমিছিলে অংশ নেন রাজধানী ও আশপাশ এলাকার আর্জেন্টিনা সমর্থকরা। 

আনন্দমিছিলে অংশ নেওয়া এক সমর্থক বলেন, আরেকটা বিশ্বকাপ চাই আমরা। মেসির কাছ থেকে আরেকটা। লাস্ট একটা বিশ্বকাপ। তিনটা না, আরেকটা লাগবে। এই তরুণ প্রজন্ম বিগত দিনে দেখেছে কোয়ার্টার ফাইনাল অতিক্রম করতে পারে নাই। এবারও পারবে না, এবারও পারবে না। ভাই, পারবে না। ভাই, পারবে না। পারবে না।

আনন্দ মিছিলে অংশ নিতে চট্টগ্রাম আসা এক সমর্থক জানান, এই আনন্দমিছিলের প্রচারণা এত বেশি ছড়িয়ে গেছে যে এটা যখন পোস্ট করছে, আমি চিটাগং থেকে এখানে আসছি। শুধুমাত্র এটায় এটেন্ড করার জন্য। আমরা, ইনশাল্লাহ, ব্যাক টু ব্যাক চ্যাম্পিয়ন হব। এটাই আমাদের আশা। ইনশাল্লাহ, অবশ্যই এবার চ্যাম্পিয়ন হবে আর্জেন্টিনা।

আর্জেন্টিনা সমর্থনকারী এক দম্পতি জানান, আমার বাবাও ছিল আর্জেন্টিনা। এজন্য ছোটবেলা থেকে আমিও আর্জেন্টিনা। আমার হাসবেন্ডও আর্জেন্টিনা। এখন আমার বেবিও। প্রত্যাশা তো অবশ্যই যে আমরা বিশ্বকাপ জিতব। বাকিটা দেখি কি হয়। 
 

১১-দলের সমাবেশে যোগ দিতে চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন জামায়াত আমির

অনলাইন ডেস্ক
১১-দলের সমাবেশে যোগ দিতে চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন জামায়াত আমির
চট্টগ্রামে পৌঁছানোর পর জামায়াত আমিরকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন নেতাকর্মীরা। ছবি : সংগৃহীত

ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে ১১ দলের সমাবেশে যোগ দিতে চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। আজ শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে লালদীঘি ময়দানে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

গণরায়ের বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন দাবিতে এ সমাবেশের ডাক দিয়েছে ১১-দলীয় জোট।

সমাবেশকে কেন্দ্র করে বন্দরনগরীতে ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এ ছাড়া বক্তব্য দেবেন—লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ (বীরবিক্রম), জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চান এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগরের নেতারা।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল টিম পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ এ সমাবেশে অংশ নেবেন। সমাবেশকে সফল ও জনসমুদ্রে পরিণত করতে ইতিমধ্যে মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

এদিকে সমাবেশ উপলক্ষে লালদীঘি ময়দানে বিশালাকার মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। গতকাল ১১ দলের শীর্ষ নেতারা সমাবেশস্থল পরিদর্শন করে সার্বিক প্রস্তুতির খোঁজখবর নেন। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দলের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকেও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সমাবেশ সফল করতে আমাদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি রয়েছে। জনগণের মৌলিক অধিকার ও বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যেই এই গণসমাবেশের আয়োজন।’

সমাবেশের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, এই বিভাগীয় সমাবেশ কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়। এটি সাধারণ মানুষের অধিকার, সুশাসন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবিকে জোরালোভাবে তুলে ধরার গণমঞ্চ। চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়ে এই সমাবেশকে জনসমুদ্রে পরিণত করবেন বলে আমাদের বিশ্বাস।

জামায়াত আমির

ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্য স্পষ্ট না হলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হবে

অনলাইন ডেস্ক
ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্য স্পষ্ট না হলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হবে
সংগৃহীত ছবি

ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্য স্পষ্ট না হলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হবে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলের নেতা ড. শফিকুর রহমান। শনিবার (১৩ জুন) দুপুর ১২টার দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন। 

জামায়াত আমির লিখেন, গতকাল বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী পৌঁছানোর পর তার একটি বক্তব্য আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তিনি ‘ভারত-বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া’ বলতে কী বুঝিয়েছেন, আমাদের সরকারের উচিত হবে তার কাছ থেকে তা জেনে নেওয়া।

তিনি আরো লিখেন, ভারত যেমন একটি স্বাধীন দেশ, বাংলাদেশও তেমনি একটি স্বাধীন দেশ। তার এ বক্তব্য স্পষ্ট না হলে জনমনে অবশ্যই বিভ্রান্তি তৈরি হবে। আমরা আমাদের সরকারের কাছে এ বিষয়টির সুরাহা চাই। যদি তিনি আক্ষরিক অর্থে এ ধরনের কিছু বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই তা নিন্দনীয়। বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার।

বর্তমানে দেশে কোনো গণতন্ত্র নেই: এরশাদ | কালের কণ্ঠ