kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


‘আমাদের কলেজে সব সুবিধাই আছে’

মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৩ সালে। আগে নাম ছিল আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতাল। কথা বলেছেন কলেজটির অধ্যক্ষ ডা. ফাতিমা পারভীন চৌধুরী

১২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



‘আমাদের কলেজে সব সুবিধাই আছে’

ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজের

শুরুটা কিভাবে?

ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজের কার্যক্রম শুরুর আগে এটি হাসপাতাল ছিল। যার নাম ছিল আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতাল।

২০১৩ সালে ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ নামকরণ করা হয়। সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে কলেজের কার্যক্রম শুরু হয়। আমরা দেরিতে অনুমোদন পাওয়ায় ২১ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করতে হয়েছিল।

 

এখন শিক্ষার্থী কতজন?

এখন পর্যন্ত দুটি ব্যাচ ভর্তি হয়েছে। তৃতীয় ব্যাচের ভর্তি প্রক্রিয়া চলছে। প্রথম ব্যাচে ২১ জন আর দ্বিতীয় ব্যাচে ৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিল। বর্তমান ব্যাচে কলেজের চাহিদা অনুযায়ী ছাত্রছাত্রী পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়।

 

মেডিক্যাল শিক্ষায় বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ কতটা অবদান রাখছে?

চিকিৎসা শিক্ষার ক্ষেত্রে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ অবদান তো রাখছেই। সব শিক্ষার্থী সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হতে পারে না। অনেকেই সুযোগ পাচ্ছে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে। আর আমাদের দেশে জনসংখ্যার তুলনায় ডাক্তার অনেক কম। সে ক্ষেত্রেও অনেক অবদান রাখছে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ। সরকারি মেডিক্যালের তুলনায় বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ বেশি, তাই এখান থেকে ডাক্তারও বেশি বের হয়। সরকারি মেডিক্যালে যেভাবে শিক্ষা দেওয়া হয়, একই পদ্ধতিতে বেসরকারি মেডিক্যালে শিক্ষা দেওয়া হয়। শিক্ষা ক্ষেত্রে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। তবে সব বেসরকারি মেডিক্যালের মান তো আর সমান নয়। আর আমরা সর্বদাই ভালো করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি।

 

কী কী সুযোগ-সুবিধা আছে?

আমাদের কলেজটি ২০১৩ সাল থেকে শুরু হলেও হাসপাতাল কিন্তু অনেক আগে থেকেই ছিল। তাই প্রয়োজনীয় সব সুযোগ-সুবিধা আছে আমাদের মেডিক্যাল কলেজে। মেডিক্যাল কলেজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হাসপাতাল। আমাদের হাসপাতালে প্রচুর রোগী আসে। শিক্ষার্থীরা ক্লিনিক্যাল ক্লাস করতে পারে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য রয়েছে আলাদা আবাসিক ব্যবস্থা। লাইব্রেরিতে শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে পর্যাপ্ত বই। ছাত্রছাত্রীদের সব সময় তদারকি করেন শিক্ষকরা।

 

কতজন শিক্ষক আছেন?

প্রথমে ৩০ জন শিক্ষক নিয়ে চালু করা হয়। বর্তমানে এর চেয়ে অনেক বেশি শিক্ষক পাঠদান করছেন। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করা হয়। সব সময় আমাদের ভালো মানের শিক্ষক নিয়োগের চেষ্টা থাকে।

 

ইকুইপমেন্ট নিয়ে বলুন—

আমাদের মেডিক্যাল কলেজে মেডিক্যাল শিক্ষার অত্যাধুনিক সব ধরনের ইকুইপমেন্ট আছে।

 

খরচাপাতি কেমন?

সরকার সব মেডিক্যাল কলেজের জন্য ইন্টার্নি ভাতাসহ সর্বোচ্চসীমা বেধে দিয়েছে।

 

গরিব-মেধাবীদের জন্য কতটা সুযোগ আছে?

সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী আমাদের মেডিক্যাল কলেজে গরিব মেধাবী শিক্ষার্থী পাঁচ শতাংশ। আর মুক্তিযোদ্ধা কোটা থেকে দুই শতাংশ ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হয়। গরিব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা পড়ার সুযোগ পাবে সরকারি মেডিক্যাল কলেজের সমান খরচে।

 

পড়াশোনা শেষে কর্মসংস্থানের সুযোগ কেমন?

আমাদের কলেজ থেকে পাস করে এখানেই নিয়োগের সুযোগ আছে। আর ডাক্তাররা বসে আছেন—এমন নজির আমি দেখিনি। বরং এখনো ডাক্তারের স্বল্পতা রয়ে গেছে। পাস করার পর সরকারি-বেসরকারি সব মেডিক্যালের ছাত্রছাত্রীদের বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার সমান সুযোগ থাকবে। বিদেশে সুযোগ তো আছেই।

 

সাক্ষাৎকার : মো. সাইফুল ইসলাম


মন্তব্য