kalerkantho


কোরবানির চামড়া কী করবেন?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ আগস্ট, ২০১৮ ১২:১৪



কোরবানির চামড়া কী করবেন?

পবিত্র কোরবানি ঈদের মাহাত্ম ত্যাগে। মাংস এক ভাগ নিজের কাছে রেখে বাকি সমান দুই ভাগ গরীব-মিসকিন এবং আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে বিলাতে হয়। কুরবানির পশুর চামড়া ফেলে দেয়ার জিনিস নয়। কুরবানির চামড়া ব্যবহার করা যাবে আবার দানও করা যাবে। এ সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো।

চামড়ার বিধান
কুরবানীর চামড়া সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'তোমরা কুরবানির পশুর চামড়া দ্বারা উপকৃত হও; তবে বিক্রি করে দিও না'।

এ হাদিস থেকে বোঝা যায়, যে ব্যক্তি কুরবানি করবে, সে কুরবানির চামড়া বা গোশত বিক্রি করে তার মূল্য নিজের কাজেও লাগাতে পারবে না এবং চামড়া ও গোশত দিয়ে কসাইয়ের মজুরিও দিতে পারবে না।

ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে কুরবানির চামড়া দান করা উত্তম। তবে কুরবানিদাতা যদি চামড়া ব্যবহার করতে চায়, তবে সে তা ব্যবহার করতে পারবে। তাতে কোনো নিষেধ নাই। আর যদি দান করতে চায় বা বিক্রি করে দেয়, তবে তা গরিব, ইয়াতিম, অসহায়দের দিতে হবে। কুরবানি দাতা নিজে চামড়ার মূল্য খরচ করতে পারবেন না। কুরবানির চামড়াকে চামড়ার আকারে রেখে প্রক্রিয়াজাত করে কুরবানি দাতা তা ব্যবহার করতে পারবে। ইচ্ছা করলে প্রিয়জনকে তা উপহার হিসেবেও দিতে পারবে। আবার ইচ্ছা করলে তা সাদকাও করতে পারবে।

যারা জাকাত, ফিতরা পাওয়ার উপযুক্ত তারাই কুরবানির চামড়ার অর্থ পাওয়ার হকদার। তবে এক্ষেত্রে ইয়াতিম, গরিব তালিবুল ইলম তথা ইলমে দ্বীনের গরিব শিক্ষার্থীকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেয়া যাবে। তালিবুল ইলম তথা ইলমে দ্বীনের শিক্ষার্থী যদি ইয়াতিম বা গরিব হয় তবে তাকে জাকাত, ফিতরা ও কুরবানির চামড়ার মূল্য প্রদানে বেশি ফজিলত রয়েছে।



মন্তব্য