kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিশেষ রচনা

এ বাংলায় কোরবানির ঈদ

এক শ বছর আগেও বাংলাদেশে কোরবানির ঈদ পরিচিত ছিল ‘বকরি ঈদ’ নামে। এই নামকরণের পেছনে ছিল পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কারণ। এ অঞ্চলের কোরবানির ঈদের ইতিহাস জানাচ্ছেন রিদওয়ান আক্রাম

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



এ বাংলায় কোরবানির ঈদ

কাহিনীটি বহুল প্রচারিত। সুলতান শামসুদ্দীন ফিরুজ শাহর  আমলে (৭০৩ হিজরি/১৩০৩) সিলেটের শেখ বুরহানউদ্দিন পুত্র হওয়ার পর মানত অনুযায়ী একটি গরু কোরবানি করেন (সম্ভবত ঈদের সময়ই সেটা করেছিলেন)।

সেই গরুর এক টুকরো মাংস চিল ছোঁ মেরে নিয়ে সিলেটের শাসক রাজা গৌড় গোবিন্দর প্রাসাদের সামনে ফেলে দেয় (কেউ বলেন রাজার মন্দিরে)। শাস্তি হিসেবে রাজা শেখ বুরহানউদ্দিনের ডান হাত কেটে নেন এবং শিশুসন্তানটিকে হত্যা করেন। তখন বুরহানউদ্দিন গৌড়ে গিয়ে সুলতানের কাছে বিচার চাইলে সুলতান সিলেট আক্রমণ করেন। গৌড় গোবিন্দ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান এবং সিলেট মুসলমানদের শাসনে আসে।

১১৭৮ সালে মুন্সীগঞ্জেও এ রকম একটি ঘটনার বর্ণনা পাওয়া যায়। এখানে ইসলাম ধর্ম প্রচার করতে আরব থেকে আসেন বাবা আদম। তাঁর কোরবানি করা গরুর এক টুকরা মাংস রাজবাড়িতে ফেলে দেয় চিল। অপমানিত রাজা বল্লাল সেন সসৈন্যে এসে বাবা আদমকে হত্যা করে কাছের এক নদীতে গোসল করতে নামেন। এ সময় তাঁর আস্তিনে লুকিয়ে রাখা কবুতর উড়ে চলে যায় রাজবাড়িতে, যা দেখে অন্তঃপুরের নারীরা মনে করেন, যুদ্ধে বোধ হয় রাজা মারা গেছেন। সবাই আগুনে আত্মাহুতি দেন। পরে মনের দুঃখে রাজাও তাঁদের অনুসরণ করেন।

এই দুটি বিবরণ থেকে মনে হয়, পূর্ববঙ্গে ঈদ উপলক্ষে এমনকি সাধারণভাবেও গরু কোরবানির খুব একটা প্রচলন ছিল না।

কিন্তু মুসলামানদের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকলে এ অবস্থার পরিবর্তন হয়। বিশেষ করে পূর্ববঙ্গে মোগলদের আসার পর এবং ১৬১০ সালে ঢাকা রাজধানী হিসেবে গড়ে ওঠার পর থেকেই এ অঞ্চলে ইসলাম ধর্মের আচার-অনুষ্ঠানগুলো মেনে চলার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে নজর দেওয়া শুরু হয়। তবে ধর্মীয় আচার-ব্যবহার, অনুশাসনগুলো পালন করার ব্যাপারে শাসনযন্ত্রের সঙ্গে জড়িত নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ও উচ্চবিত্তরা যেভাবে পালন করতেন, স্থানীয় সাধারণ মুসলমানরা সেভাবে পালন করতে পারত না। সামর্থ্যের সঙ্গে অজ্ঞতাও একটা কারণ ছিল!

শাসনকেন্দ্র থেকে এতটা দূরে থেকেও মোগলরা উৎসবের কমতি বা উৎসব-আনন্দ থেকে নিজেদের বঞ্চিত করার একেবারে পক্ষপাতী ছিল না। ঈদের চাঁদ দেখা গেলেই মোগল রীতি অনুযায়ী কামান, গুলি ও আতশবাজি ফোটানো হতো। ঈদুল আজহার দিনটি কিভাবে পালিত হতো তার খানিকটা বর্ণনা পাওয়া যায় কর্মসূত্রে ঢাকায় অবস্থানকারী তৎকালীন মোগল সেনাপতি মির্জা নাথনের স্মৃতিকথা ‘বাহারিস্থান-ই-গায়বি’তে। ঈদের নামাজ, খতিবের খুতবা পাঠ শেষ হলে ধনী মোগলরা খতিবকে পোশাক-পরিচ্ছদ ও অর্থকড়ি উপহার দিত। টাকা-পয়সা বিলিয়ে দেওয়া হতো শহরের গরিব-দুঃখীদের মধ্যে। এদিন বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন ও রাজকর্মচারীরা একে অন্যের কাছে বেড়াতে এসে ঈদের শুভেচ্ছা জানাত। কোনো কোনো সেনাপতি আনন্দ-উৎসবের এই দিনটিতে বন্ধুবান্ধব আপ্যায়নের জন্য সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও করতেন। থাকত বিরাট ভোজের ব্যবস্থা (অবশ্যই তা কোরবানির পর)। এই ভোজানুষ্ঠানে উপস্থিত সুরেলা কণ্ঠের গায়ক-গায়িকা, মোহনীয় নর্তকী ও নম্র স্বভাবের গল্পকথকদের বেশ আপ্যায়ন করা হতো। উৎসব চলত দু-তিন দিনব্যাপী। শিল্প-কারখানার শ্রমিকরাও এই আনন্দোৎসব থেকে বাদ পড়ত না। তাদের উপহারসামগ্রী দিয়ে তুষ্ট করা হতো।

এর পরবর্তী সময়ে কোরবানির ঈদের তেমন কোনো বর্ণনা পাওয়া যায় না। তবে অনেকের ধারণা, শাসকশ্রেণি মুসলমান হওয়ায় ঢাকায় কোরবানি হতো। তবে বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে চলে যাওয়ায় জৌলুস হারাতে শুরু করে ঢাকা। সীমানা ও জনসংখ্যাও সংকুচিত হয়ে যায়। উনিশ শতকের প্রথম দিকে ঢাকার জনসংখ্যা তিন লাখে দাঁড়ায়। এ সময় ঈদের (সম্ভবত রোজার ঈদের পাশাপাশি কোরবানির ঈদেও) মিছিল বের হতো ঢাকার নায়েব-নাজিমদের পৃষ্ঠপোষকতায়। ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দের পর এ ধারাটিও বন্ধ হয়ে যায়।

১৮৫৭ সালে পুরো ভারতবর্ষের মতো ঢাকায়ও সিপাহি বিদ্রোহ নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছিল। সেবার কোরবানির ঈদ হয়েছিল ১ আগস্ট। দিনটি ছিল সোমবার। ঢাকায় থাকা ইউরোপীয়রা বেশ ভয় পেয়ে গিয়েছিল। তারা মনে করেছিল, এই ঈদ উপলক্ষে

ঢাকার মুসলমানরা ‘ঝামেলা’ করতে পারে। ফলে ইউরোপীয় স্বেচ্ছাসেবকরা ঈদের দিন থেকে টানা তিন রাত ঢাকা শহরে টহল দেয়। ভয়ের মাত্রা এতটাই ছিল যে ২ আগস্ট গির্জায় আগত প্রার্থনাকারীদের নিরাপত্তার জন্যও সেখানে উপস্থিত ছিল স্বেচ্ছাসেবকরা। যা হোক, ইউরোপীয়দের সন্দেহ ভুল প্রমাণিত হয়। সেবারের কোরবানির ঈদে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটেনি।

সে সময় পূর্ববঙ্গের সাধারণ মুসলমানদের ধর্মকর্ম পালন যে খুব সহজসাধ্য ছিল না তার প্রমাণ মেলে ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দের দিকে ঢাকার সিভিল সার্জন জেমস ওয়াইজের একটি বর্ণনায়, ‘কোরবানির ঈদের সময় লক্ষ্যা নদীর তীরে স্থানীয় গ্রামবাসী মিলিত হয়েছিল নামাজ পড়ার জন্য। কিন্তু সেটা কিভাবে করবে তা তারা বুঝে উঠতে পারছিল না। আসলে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পর্কে তাদের অজ্ঞতাই এর জন্য দায়ী। এ সময় নদীতে নৌকায় করে ঢাকার এক যুবক যাচ্ছিল; অবশেষে তাকে দিয়ে ঈদের জামাত পড়ানো হলো। ’ ওয়াইজ সাহেবের এই বর্ণনায় দুটি জিনিস বোঝা যায়—এক. ঢাকার বাইরের অঞ্চলের মুসলমানদের মধ্যে ধর্মীয় অনুষ্ঠান যথাযথভাবে অনুসরণ করার চল ছিল না। দুই. ঢাকার মুসলমানদের মধ্যে ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের চর্চা ছিল। সে কারণে আমরা দেখতে পাই, ঢাকার সেই যুবকটিকে দিয়ে ঈদের জামাত পড়ানো হয়েছিল।

ঢাকার বাইরে কোরবানির ঈদ উদ্যাপন করাটা বেশ কষ্টকর ছিল সে সময়ের মুসলমানদের জন্য। কেননা স্থানীয় হিন্দু জমিদাররা তাঁদের মুসলমান প্রজাদের কোরবানি দিতে বাধা দিতেন। সুধাকর পত্রিকা (৭ ফেব্রুয়ারি ১৮৯০) সে রকমটাই জানাচ্ছে— ‘বকরি ঈদেও ঊর্ধ্বতন হিন্দু কর্মচারী ও জমিদারদের আমলারা বগুড়ার নারহাট্টার মুসলমানদের কোরবানি দিতে দেয়নি। মুসলমানদের উচিত এ ব্যাপারে লে. গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি পেশ করা। ’ মুসলমানদের কোরবানি করতে না দেওয়ার ফলে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে তিক্ততা বাড়তে থাকে। ইংরেজ সরকার তা দেখেও না দেখার ভান করত। কেননা হিন্দু-মুসলমানদের এই দ্বন্দ্ব তাদের শাসনকাজের সুবিধার্থে একান্ত প্রয়োজন ছিল। ফরায়েজি আন্দোলন ও মুসলমানদের বিভিন্ন ধর্মীয় সচেতনতামূলক প্রচারণায় মুসলমানরা ধর্মীয় অত্যাবশ্যকীয় অনুশাসন বা ফরজ কাজ সম্পর্কে আরো সচেতন হয়ে ওঠে। ফলে হিন্দু-মুসলমান দ্বন্দ্বও বৃদ্ধি পাচ্ছিল দিন দিন। তবে ঢাকা এসব তর্ক-বিতর্কের বাইরেই ছিল বলা যায়। সম্ভবত ঢাকায় মুসলমান অধিবাসীদের সংখ্যাধিক্য ও ক্ষমতাসীন মুসলমান নবাবদের জন্য সেটা সম্ভব হয়েছিল। সে কথাই উল্লেখ করে পত্রিকা ‘সারস্বতপত্র’ লিখেছে—

‘এটা সত্যিই যে ঢাকার সমাজের অনেক ত্রুটি ও দুর্নাম আছে। কিন্তু এখন যখন দেশে গরু কোরবানি নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন চলছে, সে সময় ঢাকা এসব থেকে মুক্ত। ঢাকার হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে নিখুঁত ভালো সম্পর্কই বিদ্যমান ছিল। উভয়ে উভয়ের ধর্মীয় উৎসবাদিতে যোগ দেয় এবং কেউ কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিতে চায় না। ’ (৩০.৩.১৮৯০)

ঢাকায় হিন্দু-মুসলমান সাম্যাবস্থা বিরাজ করলেও ঢাকার বাইরের অঞ্চলগুলোসহ গোটা ভারতবর্ষেই গো-হত্যার বিরুদ্ধে জোট বা সমিতি গড়ে উঠেছিল। এগুলো ‘গো-হত্যা নিবারণী সভা’, ‘গো-রক্ষিণী সভা’ নামে পরিচিত ছিল। মধ্যপন্থাবলম্বীরা যে একেবারেই ছিল না তা কিন্তু নয়। কখনো কখনো সংবাদপত্রই সেই দায়িত্ব পালন করত। যেমনটা ‘ঢাকা প্রকাশ’ করেছিল, ‘কোনো মুসলমান সহযোগী বলেন, ভণ্ড হিন্দুরাই এই হাঙ্গামার নেতা। আমরা বলি, বস্তুত তাহা নহে। যুগবেশে এখন সমস্ত জাতিরই ধর্ম্মকার্য্যে ভণ্ডামি প্রবেশ করিয়াছে। যাহা শাস্ত্রের কথা, তাহা যথাযথ প্রতিপালিত হয় না, হয় তাহার ভেল্কি। পূজার সময় নৈবেদ্য আসে, ঢাকঢোল বাজে মন্ত্র পড়ে; কিন্তু ভক্তি-শ্রদ্ধার সঙ্গে অনেক হিন্দুরই দেখা হয় না। মুসলমানদিগের মধ্যেও যে সেই প্রলয় প্রবেশ করে নাই, এত কথার পর বোধ করি কোনো মুসলমান তাহা বলিতে পারিবেন না। ...মুসলমানের বকরি ঈদে কোরবানি (কিন্তু গরু কিনিয়া কোরবানি করিবার বিধি না) অবশ্যকর্তব্য। এখন উভয়েই ধর্ম্মের আদেশে উভয়কে অনুপ্রাণিত করিতেছে, যদি আপস চাহেন, তবে উভয়েরই কিছু কিছু আবদার ছাড়িয়া দিতে হইবে। ’

১৬ আশ্বিন ১৩০০, ১ অক্টোবর ১৮৯৩

গরু কোরবানির বিষয়টি হিন্দু-মুসলমানদের কাছে এক ধরনের জাতিভিত্তিক গৌরবের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। ইতিহাসবিদ ড. মুনতাসীর মামুন যথার্থই বলেছেন, ‘গরু কোরবানির ব্যাপারটা দুই সম্প্রদায়ের ধর্মীয় জিদে পরিণত হয়েছিল। তার ওপর ওই সময় দুই সম্প্রদায়ের ধর্মীয় পুনরুত্থান জুগিয়েছিল এতে ইন্ধন। গত শতকের শেষ দিকে বিষয়টি জড়িয়ে গিয়েছিল রাজনীতির সঙ্গে। ’ মুনতাসীর মামুনের এই উক্তির সত্যতা পাই ‘সারস্বতপত্র’ ১৮৯০ সালের ৩০ মার্চ সংখ্যায়, ‘হিন্দু-মুসলমান শক্রতা বাড়ছে। আগে প্রয়োজন না হলে মুসলমানরা গো-হত্যা করত না, আর হিন্দু তা সহ্য করত। কিন্তু দুই পক্ষই এখন অসহিষ্ণু হয়ে উঠেছে। মনে হতে পারে, গো-হত্যাই এদের শত্রুতার মূল কারণ। কিন্তু মূল কারণ দুই পক্ষেরই ধর্মীয় শত্রুতার পুনর্জাগরণ। কিন্তু এই জাগরণের জন্য দায়ী কারা? কংগ্রেসকে ঘৃণা করে এমন কিছু অ্যাংলো ইন্ডিয়ান ও কিছু কর্মকর্তা। ’

এসব তর্ক-বিতর্ক, নানা উদ্যোগের মধ্য দিয়েও ১৯৪৭ সালের আগমুহূর্ত পর্যন্ত পূর্ব বঙ্গ তথা বাংলাদেশে হিন্দু জমিদাররা নিজেদের জমিদারিতে কোরবানি বা গো-হত্যা করতে দিতেন না। জমিদারদের অত্যাচার আর ধর্মীয় অনুশাসন মানতে গিয়ে অনেকেই ‘বকরি’ কোরবানি দিত। আর এভাবেই ব্রিটিশ আমলে ‘ঈদুল আজহা’ স্থানীয়ভাবে ‘বকরি ঈদ’-এ পরিণত হয়েছিল।

এই তথ্যের সত্যতা পাই ১৯০৪ সালের দিকে ঢাকার নবাব পরিবারের এক সদস্য কাজি আবদুল কাইউমের ডায়েরি থেকে। সে বছরের কোরবানির ঈদটি ছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি। তিনি লিখেছেন, ‘আজ রোববার, পবিত্র বকরি ঈদ। নামাজ শেষে আমিও অন্যান্যের মতো নওয়াবের সঙ্গে কোলাকুলি করি। নওয়াব সাহেব আমাকে আদেশ দেন অন্যান্যকে নিয়ে বিনা খরচে ক্লাসিক থিয়েটারে নাটক দেখার জন্য। ’

এই দিনলিপি থেকে অনুমান করে নেওয়া যায়, সে সময় কোরবানির ঈদ ‘বকরি ঈদ’ হিসেবে ভালোই পরিচিতি পেয়ে গিয়েছিল। সেটা এতটাই যে ঢাকার লোকজনের কোরবানি দিতে তেমন কোনো ঝামেলা না হলেও তারাও এই কোরবানির ঈদকে ‘বকরি ঈদ’ই বলত। ১৯৪৭ সালে ঢাকা পাকিস্তানের প্রাদেশিক রাজধানী হওয়ায় এটির জাঁক যত বেড়েছে, কোরবানির মাত্রাটাও হয়তো ততটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নব্য ধনীরা কোরবানিকে ব্যবহার করেছে নিজেদের বিত্তবৈভব আর ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশের একটি মাধ্যম হিসেবে।


মন্তব্য