kalerkantho


আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দকে হাইকোর্টে তলব

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ অক্টোবর, ২০১৮ ০২:১৩



আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দকে হাইকোর্টে তলব

বিভিন্ন ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে রিট আবেদনকারী হিসেবে পরিচিত আইনজীবী ড. ইউনুছ আলী আকন্দকে আদালত অবমাননার অভিযোগে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৬ অক্টোবর তাকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহাঙ্গির আলম। 

জানা যায়, সুরেশ সরিষার তেলের মালিক সুধীর চন্দ্র সাহার মেয়ে লিমা রানী সাহাকে বিয়ে করেন সৈকত পাল নামের এক যুবক। আদালতে এ বিয়ে হয়। অভিযোগ তোলা হয় যে লিমাকে অপহরণ করা হয়েছে। পরে মেয়েকে উদ্ধারের জন্য হাইকোর্টে আবেদন (হ্যাবিয়াস কর্পাস) করেন সুধীর চন্দ্র সাহা। এ আবেদনের ওপর গত ৭ আগস্ট হাইকোর্টে শুনানি করেন ড. ইউনুছ আলী আকন্দ। পরবর্তীতে গত ৯ ও ১২ আগস্ট এ আবেদনের ওপর শুনানির জন্য আদালতের কার্যতালিকায় থাকে। কিন্তু আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় ১২ আগস্ট আবেদনটি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন।

এ রুলের ওপর গত ১০ অক্টোবর আদেশের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন সুধীর চন্দ্র সাহার পক্ষে আরেক আইনজীবী খবির উদ্দিন ভুইয়া ২ সপ্তাহ সময় চেয়ে আবেদন জানান। ওই আবেদনে বলা হয়, হাইকোর্টের খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল আবেদন করা হয়েছে যা আগামী ১৮ অক্টোবর পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য রয়েছে। বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য রাখেন আদালত।

এ অবস্থায় কোনো আইনজীবী উপস্থিত না হওয়ায় আদালত ইউনুছ আলী আকন্দকে তলব করেন। এ আদেশের তথ্য সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদককে জানাতে ইউনুছ আলী আকন্দের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১৬ অক্টোবর সভাপতি ও সম্পাদককে আদালতে নিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে ইউনুছ আলী আকন্দ সাংবাদিকদের বলেন, গত ৭ আগস্ট শুনানির পর দুই সপ্তাহ শুনানি মুলতবি করেছিলেন হাইকোর্ট। একারণে তাই আমি আর কোর্টে যাইনি। কিন্তু পরে জেনেছি যে মামলাটি গত ৯ ও ১২ আগস্ট আদালতের কার্যতালিকায় ছিল। এবং আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালতে না যাওয়ায় তার (ইউনুছ আলী আকন্দ) বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুলও জারি করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, গত ৮ আগস্ট আমার কাছ থেকে মামলাটি নিয়ে গেছেন আবেদনকারীপক্ষ। অন্য আইনজীবী নিয়োগে আমি অনাপত্তিপত্রও দিয়ে দিয়েছি। এরপর খবির উদ্দিন ভূঁইয়াকে আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছে। নতুন আইনজীবী আপিল বিভাগে আবেদনও করেছে বলে জেনেছি।

তিনি বলেন, আইনজীবী পরিবর্তন হওয়ার পর এ মামলা সম্পর্কে আমার কিছুই জানার কথা না। এ মামলার দায়-দায়িত্বও আমার না।



মন্তব্য