kalerkantho


দুদকের পৃথক ৫ মামলায়

ব্যারিস্টার জমিরের আবেদন হাইকোর্টে খারিজ

নিম্ন আদালতে চলতে বাধা নেই: দুদকের আইনজীবী

নিজস্ব প্রতিবেদক    

১১ অক্টোবর, ২০১৮ ২৩:৪২



ব্যারিস্টার জমিরের আবেদন হাইকোর্টে খারিজ

দুদকের মামলা বাতিল চেয়ে জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি এ এন এম বশির উল্লাহর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

আদালতে দুদকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট সরওয়ার আহমেদ। এ আদেশের ফলে বিচারিক আদালতে মামলা চলতে আইনগত বাধা থাকলো না বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী।

জাতীয় সংসদের স্পিকার থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয়ে অর্থ বরাদ্দের অভিযোগে তখনকার স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) আগারগাঁও থানায় পৃথক পাঁচটি মামলা করে।

এসব মামলায় অপর তিন আসামি হলেন-বিএনপির সাবেক মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেন, জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার আখতার হামিদ সিদ্দিকী ও জাতীয় সংষদের কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম। ২০১৩ এসব মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার।

হাইকোর্ট মামলার কাযক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন এবং কেন মামলা বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। এ রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৮ মে বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ দ্বিধাবিভক্ত রায় দেন। সিনিয়র বিচারপতি মামলা বাতিল করেন। আর জুনিয়র বিচারপতি আবেদন খারিজ করে দেন। এরপর বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতি একক বেঞ্চ গঠন করেন। বিচারপতি এ এন এম বশির উল্লাহর একক বেঞ্চে শুনানি শেষে আজ তা খারিজ করে রায় দেওয়া হয়।

প্রয়াত (সে সময়কার চিপ হুইপ) খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের উন্নত চিকিৎসা ও আসবাবপত্র কিনতে ৬ লাখ টাকা ও ২৭ লাখ ৮৬ হাজার ৪শ ৩৪ টাকা বরাদ্দ এবং বিদ্যুতের মিটার ও গ্যাসের চুলা ব্যবহার বাবদ ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৪শ ৩৭ টাকা বরাদ্দ, প্রয়াত ডেপুটি স্পিকার আখতার হামিদ সিদ্দিকীর উন্নত চিকিৎসার জন্য এককোটি ২১ লাখ ৭শ ৩ টাকা ৫৯ পয়সা বরাদ্ধ এবং নিজের উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে যাওয়ার জন্য ২৭ লাখ ৮৫ হাজার ৩শ ৬৪ টাকা বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগে পৃথক ৫টি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।



মন্তব্য