kalerkantho


দুদকের মামলা

পাওয়ার গ্রিড কম্পানির ডিজিএমের তিন বছর কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক    

৫ জুন, ২০১৮ ০১:৫৪



পাওয়ার গ্রিড কম্পানির ডিজিএমের তিন বছর কারাদণ্ড

প্রতীকী ছবি

সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় পাওয়ার গ্রিড কম্পানি অব বাংলাদেশের সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক আরশাদ হোসেনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১-এর বিচারক আতাউর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আরশাদকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

আসামি আরশাদ হোসেন আদালতে হাজির ছিলেন না। রায়ের পর আদালত তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত রায়ে বলেছেন, আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রসিকিউশন সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, আরশাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ থাকায় ২০১০ সালে অনুসন্ধানে নামে দুদক। অনুসন্ধান শেষে তদন্ত কর্মকর্তা আসামির বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের সুপারিশসহ কমিশনে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর দুদক আসামিকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেয় ২০১০ সালের ২ মে। ৪ মে আসামি নিজে স্বাক্ষর করে সম্পদ বিবরণীর নোটিশ গ্রহণ করেন। ১১ মে আসামি সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য আরো সাত দিন সময় চেয়ে কমিশনে আবেদন করেন। কমিশন তাঁর আবেদন মঞ্জুর করে। এরপর সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য আরো সাত কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়। ২৩ মে বর্ধিত সময়ের মেয়াদ শেষ হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি।

২০১০ সালের ২৯ জুন রাজধানীর ধানমণ্ডি থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। ২০১২ সালের ৫ আগস্ট দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় বিভিন্ন সময়ে পাঁচজন সাক্ষ্য প্রদান করেন।



মন্তব্য