kalerkantho


প্রতিশোধ নিতেই স্কুলছাত্র হত্যা: গাড়ি চালকের স্বীকারোক্তি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ মে, ২০১৮ ১৪:২৯



প্রতিশোধ নিতেই স্কুলছাত্র হত্যা: গাড়ি চালকের স্বীকারোক্তি

প্রতিশোধ নিতেই স্কুলছাত্র আব্দুল্লাহ হাসানকে (১৪) হত্যা করা হয়েছে বলে আদালাতে স্বীকার করেছে গাড়ি চালক এরশাদ। গাড়ি পার্কিংয়ের সময় তার গায়ে ধাক্কা লাগায় সে বাবার প্রাইভেটকার চালক এরশাদকে চড় দেয়। এর প্রতিশোধ নিতেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। মৌলভীবাজারের বড়লেখায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান জামানের আদালতে সে এই স্বীকারোক্তি দেয়। গাড়ি চালক এরশাদ মিয়া ভোলা জেলার শশীভূষন থানার চরমায়া গ্রামের কবির মিয়ার ছেলে। নিহত স্কুলছাত্র উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর গ্রামের সৌদি প্রবাসী আব্দুর রহিমের ছেলে। সে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা মনির আহমদ একাডেমির নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

মামলাটি পিবিআইতে স্থানান্তরের পর মৌলভীবাজার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর শিবিরুল ইসলাম এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছেন উল্লেখ করে বলেন, গাড়ি চালক এরশাদ মিয়া খুব ঠাণ্ডা মাথায় ও পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী হত্যাকাণ্ড ঘটালেও সে ছিল সন্দেহের ঊর্ধ্বে। তার তিনটি কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দিয়ে পিবিআই তদন্তে অগ্রসর হয়। ঘটনার রাতে গাড়ি চালক এরশাদ সচরাচর যেখানে ঘুমায় সেখানে না ঘুমিয়ে অন্য স্থানে ঘুমিয়েছে। ঘটনার কয়েকদিন আগেই স্ত্রী-সন্তানদের অন্যত্র পাঠিয়ে দেয়। ঘটনার পর চাকুরি ছেড়ে দেওয়া। মুখে দাঁড়ি রাখা এবং আত্মগোপন করা। এসব কারণে সন্দেহ হওয়ায় তাকে আটকের সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ।

গত ১৯ মে মৌলভীবাজার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি হোটেল থেকে তাকে আটক করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডের তিন দিনের মাথায় সে স্কুলছাত্র আব্দুল্লাহ হাসান হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেয়।



মন্তব্য