kalerkantho


‘খালেদার মামলা লড়তে বিদেশি আইনজীবীর প্রয়োজন নেই’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ মার্চ, ২০১৮ ২১:০৫



‘খালেদার মামলা লড়তে বিদেশি আইনজীবীর প্রয়োজন নেই’

বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার আইনি পরামর্শ নিতে ব্রিটিশ আইনজীবী লর্ড কার্লাইলকে পরামর্শক নিয়োগ দিয়েছে বিএনপি। সকালে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তবে, বেগম জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন মনে করেন, এ মামলা লড়তে বিদেশি পরামর্শক নিয়োগের কোনো প্রয়োজন নেই।

নিয়োগ পাওয়া লর্ড কার্লাইল মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড হওয়া জামায়াত নেতা মীর কাশেম আলীরও আইনি পরামর্শক ছিলেন।  

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম জিয়ার জামিন ৮ই মে পর্যন্ত স্থগিত হওয়ার পর দিনই তার মামলা লড়তে বিট্রিশ আইনজীবী লর্ড কার্লাইলকে আইনি পরামর্শক নিয়োগের কথা জানালো, বিএনপি।

মঙ্গলবার সকালে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে দলটির মহাসচিব এ কথা জানান। যিনি বিদেশে বসে-প্রয়োজনে দেশে এসে বেগম জিয়ার সব মামলার আইনি পরামর্শ দিবেন বলেও জানান মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘লর্ড কারলাইন আন্তর্জাতিক আইন মেনেই খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের পরামর্শ দেবেন। প্রয়োজনে তিনি বাংলাদেশেও আসতে পারেন। বিএনপি লর্ড কারলাইনকে পেয়ে আনন্দিত।’

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বেগম জিয়ার কারাদণ্ড হওয়ার পর থেকেই তার আইনজীবীদের মধ্যে সম্বনয়হীনতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এমন প্রেক্ষাপটেই নিয়োগ দেয়া হলো বিট্রিশ এই আইনজীবীকে।

কিন্তু বেগম জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন জানান, মামলা লড়তে বিদেশি আইনজীবীর কোন প্রয়োজন নেই। সরকারের সদিচ্ছা ছাড়া কোনো আইনি প্রক্রিয়ায় বেগম জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, মামলাটা এমন ধরনের মামলা না যে বিদেশি পরামর্শক প্রয়োজন হতে পারে। সরকারের সদিচ্ছা ছাড়া খালেদা জিয়া জেল থেকে বের হতে পারবেন না।

লর্ড কার্লাইল এর আগেও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড হওয়া জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর আইনজীবী ছিলেন। যুদ্ধাপরাধের মামলার বিচার নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের কারণে সমালোচিত তিনি।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আইন অনুযায়ী বিদেশী কোন আইনজীবী দেশের আদালতে মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না। তবে আইনি পরামর্শ নেয়ার সুযোগ রয়েছে। ২০০৭ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা হলে সেখানেও ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী চেরী ব্লেয়ারকে বিদেশী আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিলো।


মন্তব্য