kalerkantho


খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারি

শিমুল বিশ্বাস ফের ৫ দিন রিমান্ডে

আদালত প্রতিবেদক   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২২:২৬



শিমুল বিশ্বাস ফের ৫ দিন রিমান্ডে

ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগরে পাঠানোর প্রতিবাদে সৃষ্ট সহিংসতায় রাজধানীর শাহাবাগ থানার দায়ের হওযা আরেকটি মামলায় তার বিশেষ সহকারি শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে ফের পাঁচদিন রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। 

বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(১) ধারার এ মামলায় আজ বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে দশ দিন রিমান্ড আবেদন করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সারাফুজ্জামান আনছারী তার জামিন আবেদন নাকচ করে পাঁচদিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এসআই আবদুল করিমের দাখিল করা রিমান্ড আবেদনের উপর আদালতে শুনানি করেন সংশ্লিষ্ট থানার প্রসিকিউশন কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মাহমুদুর রহমান। অন্যদিকে আসামিরপক্ষে অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, নুরজ্জমান তপন প্রমুখ রিমান্ড বাতিল করে জামিন চেয়ে আবেদনের উপর বক্তব্য রাখেন।  

তারা বলেন, শিমুল বিশ্বাস বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারি। তিনি সব সময় খালেদা জিয়ার সাথেই থাকেন। তিনি কোন সময় মিছিল মিটিং করেন না। এ মামলার এজাহারে তার নাম নাই। তিনি অসুস্থ, এছাড়া তিনি একজন আইনজীবী, ঢাকা বারের সদস্য। তার রিমান্ড নামঞ্জুর করে জামিন দেওয়া হোক। শুনানি শেষে জামিন আবেদন নাকচ করে ওই রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক। 

পুরান ঢাকার বকশিবাজারের উমেশ দত্ত রোডে নির্মিত অস্থায়ী এজলাসে জিয়া ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত জিযা অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর পর ওই এলাকা থেকে তাকে প্রথম আটক করা হয়। প্রথমবার তাকে নাশকতার অভিযোগে শাহবাগ থানায় দায়ের করা বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। দশদিন রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৯ ফেব্রুয়ারি পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। ওই রিমান্ড শেষে ফের এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

উল্লেখ্য, সরকার বিরোধী আন্দোলনে রাজধানীতে নাশকতা, হত্যা ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের অন্তত: ২০টি মামলায় ইতোপুর্বে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলেও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তবে সদ্য আটক হওয়ার পর থেকে এ নিয়ে দুইটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হল। কিন্তু গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া মামলার একটিতেও এখনও গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। 



মন্তব্য