kalerkantho


গ্রাম পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের

চতুর্থ শ্রেণির সরকারি চাকরিজীবীর সমপরিমাণ বেতন নয় কেন : হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২২:৩৪



চতুর্থ শ্রেণির সরকারি চাকরিজীবীর সমপরিমাণ বেতন নয় কেন : হাইকোর্ট

গ্রাম পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের (দফাদার ও মহলদার) চাকরি জাতীয় বেতন কাঠামো অনুসারে চতুর্থ শ্রেণির সরকারি চাকরিজীবীদের সমমর্যাদায় উন্নীত করে সমপরিমাণ সুযোগ-সুবিধা দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রুলে রিট আবেদনকারীদের চাকরি রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। স্থানীয় সরকার সচিব, অর্থ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব ও পুলিশ মহাপরিদর্শকসহ ৩৪ জনকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। 

রাজশাহীর পবা উপজেলার সুইসাকুড়ি গ্রামের মো. আব্দুল বারীসহ দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে দফাদার ও মহলদার হিসেবে দায়িত্বরত ৭০ জন গ্রাম পুলিশের করা এক রিট আবেদনে এ রুল জারি করা হয়। রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. নওশের আলী মোল্লা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

আদেশের পর রিট আবেদনকারীর আইনজীবী সাংবাদিকদের জানান, সারাদেশে প্রায় ৪৬ হাজার গ্রাম পুলিশ রয়েছেন। এদের মধ্যে একজন দফাদার পান তিন হাজার চারশ টাকা এবং মহলদার পান তিন হাজার টাকা। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাদের চাকরি চতুর্থ শ্রেণিভুক্ত করতে ২০০৮ সালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাব পাঠায়। 

তিনি বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকে এ বাহিনী দায়িত্ব পালন করে আসছে। সর্বশেষ ২০০৯ সালে করা আইনে তাদের স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন-২০০৯ ভুক্ত করা হয়। এ আইনের অধীনে ২০১৫ সালে এ বাহিনীর গঠন, প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও চাকরির শর্তাবলী সংক্রান্ত বিধিমালা করা হয়। কিন্তু এ বিধিমালায় তাদের চাকরি কোন শ্রেণিভুক্ত হবে তা নির্ধারণ করা হয়নি। এ নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে দফায় দফায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। 



মন্তব্য