kalerkantho


জামিন জালিয়াতির ঘটনা তদন্তে সিআইডিকে হাইকোর্টের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০৪:৪৮



জামিন জালিয়াতির ঘটনা তদন্তে সিআইডিকে হাইকোর্টের নির্দেশ

জাল জামিননামায় বিশ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া আসামি সেলিমের মুক্তির ঘটনা তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই জামিন জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

একই মামলার আরেক আসামি মো. রফিকের জামিন আবেদনের ওপর শুনানিকালে সেলিমের জামিন জালিয়াতির বিষয়টি আদালতের কাছে ধরা পড়ে। আদালত রফিকের জামিন আবেদন খারিজ করেছেন। তাঁর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. রেজাউল করিম ও মোহাম্মদ আজিজুর রহমান মিশু এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ফজলুর রহমান খান।

বিশ হাজার পিস ইয়াবাসহ ২০১৭ সালের ৭ জানুয়ারি মো. সেলিম উদ্দিন, মো. রফিক, শিরিন সুলতানা আখি, আপন মজুমদার ও দিপক দাসকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরদিন চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। এ মামলায় হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন মো. রফিক।

গত ২৫ জানুয়ারি তাঁর আইনজীবী আদালতকে জানান, এই আদালত থেকে মামলার আরেক আসামি সেলিম উদ্দিন জামিন নিয়েছেন। এই জামিন নিয়ে আদালত সন্দেহ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে জামিনের আদেশের কপি ৩১ জানুয়ারি আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। গতকাল ওই কপি দাখিল করা হয়। এতে দেখা যায়, এ আদালত গত ১৩ ডিসেম্বর সেলিমকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন। এতে স্বাক্ষর দেখে সুপ্রিম কোর্টের সহকারী রেজিস্ট্রার বেগম সুলতানা, তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ আলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মনিরকে তলব করেন আদালত। তবে তাঁরা আদালতে উপস্থিত হয়ে জানান, ওই স্বাক্ষর তাঁদের নয়। এরপর আদালত আদেশ দেন। 

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ফজলুর রহমান খান বলেন, ‘জাল আদেশের কপিতে দেখা যায়, মো. সেলিমের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. মাহবুবার রহমান খান।


মন্তব্য