kalerkantho


ডাকসু নির্বাচন প্রশ্নে হাইকোর্টের রায় বুধবার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ জানুয়ারি, ২০১৮ ২২:২৪



ডাকসু নির্বাচন প্রশ্নে হাইকোর্টের রায় বুধবার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচন প্রশ্নে আগামীকাল বুধবার রায় দেবেন হাইকোর্ট। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে জারি করা রুলের ওপর শুনানি শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করেন বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। প্রায় ৬ বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২৫ শিক্ষার্থীর করা রিট আবেদনে রায় দেবেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর আহম্মদ, সাবেক জিএস মোস্তাক হোসেন ও ঢাবি শিক্ষার্থী জাফরুল হাসান নাদিমের রিট আবেদনে জারি করা রুলের ওপর একই আদালতে আজ শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। 

ঢাবি শিক্ষার্থীদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। ঢাবি কর্তৃপক্ষের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

ডাকসু নির্বাচনে পদক্ষেপ নিতে ৩১ শিক্ষার্থীর পক্ষে ২০১২ সালের ১১ মার্চ ঢাবির উপাচার্য, প্রক্টর ও ট্রেজারারকে লিগ্যাল নোটিশ দেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই নোটিশের কোনো জবাব না দেওয়ায় ওই বছরের ২১ মার্চ রিট আবেদন করা হয়। ডাকসু নির্বাচন নিয়ে দৈনিক কালের কণ্ঠ, নিউ এজ, দৈনিক ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে এ রিট আবেদন করা হয়। এ রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে ওই বছরের ৮ এপ্রিল রুল জারি করেন আদালত। রুলে ডাকসু নির্বাচন করার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং নির্বাচন করার ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। শিক্ষা সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার ও প্রক্টরকে চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়। এ রুলের ওপর আজ মঙ্গলবার শুনানি শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়।

২৫ শিক্ষার্থীর করা রিট আবেদনে বলা হয়, ১৯৯৮ সালের ২৭ মে ঢাবির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আজাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ডাকসু নির্বাচনের পর এর সময়সীমা হবে এক বছর। পরবর্তী তিন মাস নির্বাচন না হলে বিদ্যমান কমিটি কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। এ সিদ্ধান্তের পর ডাকসু ভেঙে দেওয়া হয়। রিট আবেদনে বলা হয়, ঢাবির কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বিধান অনুযায়ী প্রতি বছর নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু তা হচ্ছে না। সর্বশেষ ১৯৯০ সালের ৬ জুলাই ডাকসুর নির্বাচন হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তাদের এই ব্যর্থতার কারণে হাজার হাজার শিক্ষার্থী তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। 

এদিকে ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর আহম্মদ, সাবেক জিএস মোস্তাক হোসেন ও ঢাবি শিক্ষার্থী জাফরুল হাসান নাদিমের করা রিট আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে গত বছর ১৯ মার্চ রুল জারি করা হয়। এ রুলের ওপর একই আদালতে আজ শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী।


মন্তব্য