kalerkantho


নিজাম হাজারীর রিট শুনানিতে ব্রিবত হাইকোর্ট

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ১২:০০



নিজাম হাজারীর রিট শুনানিতে ব্রিবত হাইকোর্ট

রুল নিষ্পত্তির জন্য গঠিত হাইকোর্টের একক বেঞ্চ শুনানিতে বিব্রতবোধ করে মামলার নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য পদে থাকা নিয়ে রুল নিষ্পত্তির শুনানিতে ফরিদ আহমেদের একক বেঞ্চ এই আদেশ দেন। প্রধান বিচারপতি এ মামলার নিষ্পত্তির জন্য নতুন একক বেঞ্চ নির্ধারণ করবেন বলেও আজ সোমবার জানিয়েছেন রিট আবেদনকারীর আইনজীবী সত্য রঞ্জন মণ্ডল।


আরো পড়ুন: হাজারী বাড়িতেই আ. লীগের নিয়ন্ত্রণ,বিএনপিতে বহু ধারা


রিট আবেদনে বলা হয়, সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার এবং সংসদ সদস্য থাকার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে কমপক্ষে দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হয়ে থাকে। সে হিসেবে নিজাম হাজারী ২০১৫ সালের আগে সংসদ সদস্য হতে পারেন না। অথচ তিনি ২০১৪ সালের ০৫ জানুয়ারির নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছেন।


আরো পড়ুন: খালেদার গাড়িবহরে হামলার নায়ক নিজাম হাজারী


সাজা কম খেটেই বেরিয়ে যান সাংসদ শিরোনামে ২০১৪ সালের ১০ মে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০০ সালের ১৬ আগস্ট অস্ত্র আইনের এক মামলায় নিজাম হাজারীর ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়। কিন্তু দুই বছর ১০ মাস কম সাজা খেটে কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। পরে ওই প্রতিবেদন যুক্ত করে নিজাম হাজারীর সংসদ সদস্য পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া। রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১৪ সালের ৮ জুন রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

২০১৬ সালের ০৬ ডিসেম্বর নিজাম হাজারীর পদে থাকার বৈধতা নিয়ে জারি করা রুলের বিভক্ত রায় দেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক ও বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. এমদাদুল হক তার রায়ে রুল মঞ্জুর করে নিজাম হাজারীর পদে থাকাকে অবৈধ ঘোষণা করেন। আর কনিষ্ঠ বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান এ বিষয়ে করা রিট ও রুল খারিজ করে দেন। অর্থাৎ তার রায়ে নিজাম হাজারীর এমপি পদ বৈধ। এরপর আইন অনুসারে রিট আবেদনটি প্রধান বিচারপতির কাছে গেলে তিনি একক বেঞ্চের কাছে পাঠান। পরবর্তীতে কয়েকটি একক বেঞ্চ ঘুরে মামলাটি বিচারপতি ফরিদ আহমেদের কাছে পাঠানো হয়।

 



মন্তব্য