kalerkantho


একদিন পেছাল বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি নিয়ে আদেশ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ জানুয়ারি, ২০১৮ ১০:৪৯



একদিন পেছাল বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি নিয়ে আদেশ

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একদিন পেছাল নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা নিয়ে আদেশ। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

মঙ্গলবার সকালে এ মামলার আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলামকে উদ্দেশ করে আদালত বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের একদিন সময়ের প্রয়োজন। বুধবার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে বিষয়টি রাখলাম। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আপিল বিভাগ থেকে বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা ও আচরণ বিধিমালার গেজেট প্রকাশে সরকারকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। এরপর এ ব্যাপারে গেজেট জারি করা হয় ১১ ডিসেম্বর। শৃঙ্খলাবিধি নিয়ে আদেশের জন্য ২০১৮ সালের ২ জানুয়ারি দিন ধার্য করা ছিল ২০১৭ সালের ১৩ ডিসেম্বর।

অবশ্য গত বছরের ৫ নভেম্বর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে গেজেট প্রকাশে রাষ্ট্রপক্ষের করা চার সপ্তাহের সময়ের আবেদনের শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছিলেন, বিষয়টি নিয়ে আইনমন্ত্রী বসতে চান।

পরে গত ১৬ নভেম্বর রাতে আইনমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতির নির্দেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ ব্যাপারে গেজেট প্রকাশ করা হবে।

প্রসঙ্গত, মাসদার হোসেনের মামলায় ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেওয়া হয়। ওই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।

আপিল বিভাগের এ নির্দেশনার পর ২০১৭ সালের ৭ মে একটি খসড়া শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধি প্রস্তুত করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠায় আইন মন্ত্রণালয়।

আপিল বিভাগ খসড়ার বিষয়ে গত বছরের ২৮ আগস্ট শুনানিকালে জানান, শৃঙ্খলা বিধিমালাসংক্রান্ত সরকারের খসড়াটি ছিল ১৯৮৫ সালে সরকারি কর্মচারী বিধিমালার হুবহু অনুরূপ। যা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থী।

এরপর একটি খসড়া বিধিমালা করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠান সুপ্রিম কোর্ট। গত ১৬ জুলাই তখনকার প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এ-সংক্রান্ত গেজেট শিগগিরই প্রস্তুত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছিলেন আইনমন্ত্রী। তবে বরাবরই তা পেছাতেই আছে।

 

 



মন্তব্য