kalerkantho


ছয় নারীকে ফাদে ফেলে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারন

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আরিফের দোষ স্বীকার

শরীয়তপুর প্রতিনিধি   

২৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৯:১৯



সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আরিফের দোষ স্বীকার

শরীয়তপুরে ছয় নারীকে ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারনের ঘটনায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আরিফ দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। বুধবার বিকাল ৫টায় শরীয়তপুর অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুজাহিদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় এ জবানবন্দি দেন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার বিকালে গোসাইরহাট উপজেলার সাইক্কা ব্রীজ এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। 

মঙ্গলবার রাত ১০টায় শরীযতপুর পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন সংবাদ সম্মেলন করে আরিফকে গ্রেপ্তার করার কথা জানান। বুধবার দুপুরে আরিফকে আদালতে হাজির করা হয়। বিকেল ৫টার দিকে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আরিফ।

আদালতে আরিফের স্বীরোক্তিমূলক জবানবন্দির বিষয়ে নিশ্চিত করে ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, আরিফ গ্রেপ্তারের পরেই আমাদের কাছে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারনের কথা স্বীকার করে। পরে সে স্বেচ্ছায় আদালতে বিষয়টি জানানোর ইচ্ছে প্রকাশ করে। বিকালে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দী দেয় সে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আরিফ হোসেন হাওলাদার। সে ফেরাঙ্গিকান্দি গ্রামের মিন্টু হাওলাদারের ছেলে। স্থানীয় একটি কলেজের স্নাতক শ্রেণীর ছাত্র। গত ১৫ অক্টেবর ছয় নারীকে তার ধর্ষণ করার ভিডিও এবং ছবি মানুষের হাতে ছড়িয়ে পড়ে। ১৭ অক্টোবর থেকে লোকে সেগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে দেন। অভিযোগ পেয়ে ১৯ অক্টোবর ভেদরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ আরিফকে দল থেকে বহিষ্কার করে। আর ১১ নভেম্বর জেলা ছাত্রলীগ আরিফকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে ভূক্তভোগী এক নারী তার বিরুদ্ধে ভেদরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলাটি করা হয়।



মন্তব্য