kalerkantho


কৃষি ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম কারাগারে

আদালত প্রতিবেদক   

২৮ নভেম্বর, ২০১৭ ২১:৫০



কৃষি ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম কারাগারে

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা চার মামলার মধ্যে কৃষি ব্যাংকের সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) জুবায়ের মঞ্জুরকে একটিতে জামিন দিলেও অপর তিনটিতে জামিন নাকচ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার জেষ্ঠ্য বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে সংশ্লিষ্ট বিচারক মো. কামরুল হোসেন মোল্লা ওই আদেশ দেন।

মালামাল বিদেশে রপ্তানি না করে বা শিপমেন্ট না করে ভুয়া বিল অব লেডিং সৃজন করে টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে এ অভিযোগে চলতি বছরের গত ৩ ও ২৯ আগস্ট দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলম বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪২০ তৎসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাগুলো দায়ের করেন।

জামিন নামঞ্জুর হওয়া তিন মামলার একটিতে বলা হয়, মালামাল বিদেশে রপ্তানি না করে ভুয়া বিল অব লিডিং তৈরি করে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কারওয়ান বাজার শাখা থেকে দশ কোটি ৮১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। ওই মামলায় জেবায়ের মঞ্জুরসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়।

অন্যরা হলেন, মেসার্স আরএন সোয়েটার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান হোসনে আরা জামান চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাশিদুন্নবী চৌধুরী, কৃষি ব্যাংক কারওয়ান বাজার শাখার সাবেক এসপিও শাহ সারফুদ্দিন আহমেদ, সাবেক এজিএম মো. সারোয়ার হোসেন,ও এবিএম আতাউর রহমান।

একই শাখা থেকে ঋণ নিয়ে অর্থ আত্মসাতের অপর দুইটির একটিতে ৫৯ কোটি টাকার বেশি এবং অন্যটিতে দুইশত ৬০ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে।

এ দুটি মামলার অন্য আসামিরা হলেন, ফেয়ার ইয়ার্ন প্রসেসিং লিমিটেডের এমডি জসিম আহমেদ, রোজবাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হযরত আলী কৃষি ব্যাংক কারওয়ান বাজার শাখার সাবেক এসপিও মো. আবুল হোসেন, গোলাম রসুল, সাবেক এজিএম (বর্তমানে বাধ্যতামূলক অবসরে) মো. সারোয়ার হোসেন, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক ইকবাল হোসেন মোল্লা, ফেয়ার ইয়ার্ন প্রসেসিং লিমিটেডের পরিচালক ও এমডির স্ত্রী মিসেস ইয়াসমিন আহমেদ।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রধান কার্যালয়ের ঋণ অনুমোদনের শর্ত লঙ্ঘন করে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে নিজে ও অন্যকে লাভবান করার জন্য বিদেশে মালামাল রপ্তানি না করে এবং পরবর্তীতে রপ্তানি সংক্রান্ত জাল রেকর্ডপত্রের (এফবিপি ডকুমেন্ট ক্রয়-বিক্রি দেখিয়ে) মাধ্যমে কৃষি ব্যাংক থেকে টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

কিন্তু, ক্রয়কৃত আউটস্ট্যান্ডিং এফবিপি বিলের ডকুমেন্ট পর্যালোচনায় দেখা যায় রপ্তানি ডকুমেন্টের সঙ্গে কাস্টমস কর্তৃক সার্টিফাইড ইএক্সপি (২য়, ৩য় ও ৪র্থ কপি) এর কোনো কপি নেই এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে রিপোর্টিং সংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই।


মন্তব্য