kalerkantho


বিডিআর হত্যাযজ্ঞের মূল রায় ঘোষণা আড়াইটায়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৭ নভেম্বর, ২০১৭ ১৩:১৫



বিডিআর হত্যাযজ্ঞের মূল রায় ঘোষণা আড়াইটায়

তিন বিচারপতির পর্যবেক্ষণের পর বিডিআর হত্যাযজ্ঞের মামলার আপিলের মূল রায়ের অংশ সোমবার দুপুর আড়াইটা থেকে ঘোষণা করা হবে। অ্যাটর্নি জেনারেলের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে এ সময় নির্ধারণ করেন বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিশেষ (বৃহত্তর) হাইকোর্ট বেঞ্চ।

এর আগে সকাল ১০টা ৫৩ মিনিট থেকে দ্বিতীয় দিনের মতো আলোচিত হত্যা মামলাটির রায় ঘোষণা শুরু হয়। দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই রায়ের পর্যবেক্ষণ দেন বেঞ্চের সদস্য বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার। তার পড়া শেষে কিছু পর্যবেক্ষণ দেন বিচারপতি মো. শওকত হোসেন।


আরো পড়ুন: পিলখানা হত্যাকাণ্ড : হাইকোর্টের অসমাপ্ত রায় পড়া শুরু


এরপর মূল রায় ঘোষণা করতে গেলে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম দুপুরের বিরতির পর রায় ঘোষণার আবেদন করেন। পরে এ সময় নির্ধারণ করেন আদালত। বেঞ্চের আরেক সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, আবদুল বাসেত মজুমদার, মহসীন রশীদ, এস এম শাহজাহান, এ এস এম আবদুল মুবিন, মো. আমিনুল ইসলাম, দাউদুর রহমান মিনা, শামীম সরদার প্রমুখ। আর রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন হাসনা বেগম। রবিবার বেলা ১০টা ৫৫ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মাঝে মধ্যাহ্নবিরতি দিয়ে প্রথম দিনের মতো রায় পড়া শেষ হয়।

গত ১২ নভেম্বর থেকে হাইকোর্টের কার্যতালিকায় ২৬ নভেম্বর রায় ঘোষণার জন্য রাখা হয় আপিল মামলাটি।


আরো পড়ুন :


২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানার বিডিআর সদর দফতরে ৫৭ জন সেনা সদস্যসহ ৭৪ জনকে হত্যার দায়ে ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ১৫২ জন বিডিআর সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় দেন বকশীবাজারে আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ড. মো. আখতারুজ্জামানের অস্থায়ী আদালত। পাশাপাশি অস্ত্র লুটের দায়ে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো দুই বছর করে কারাদণ্ডও দেওয়া হয় তাদের। জীবিত ৮৪৬ জন আসামির মধ্যে আরো ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন, ২৫৬ জনকে তিন থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ২৭৭ জনকে খালাস দেওয়া হয়। মামলার মোট ৮৫০ জন আসামির বাকি চারজন বিচার চলাকালেই মারা গেছেন। ওই ঘটনায় দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের মামলার বিচার চলছে বিচারিক আদালতে।

 


মন্তব্য