kalerkantho


পিলখানা হত্যাকাণ্ড : হাইকোর্টের অসমাপ্ত রায় পড়া শুরু

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৭ নভেম্বর, ২০১৭ ১২:০০



পিলখানা হত্যাকাণ্ড : হাইকোর্টের অসমাপ্ত রায় পড়া শুরু

রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে সেনা কর্মকর্তা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৫২ আসামির ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আসামিদের আপিলের রায়ের দ্বিতীয় দিন অসমাপ্ত অংশ পড়া শুরু হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১০টা ৫২ মিনিটে বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চে রায় পড়া শুরু হয়।

রায় পড়ছেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার। আজই রায় ঘোষণা শেষ হবে বলে আদালত জানিয়েছেন। এর আগে রবিবার বিরতি দিয়ে সকাল ১০টা ৫৫ মিনিট থেকে বিকাল পর্যন্ত রায় পড়ে শোনান বিচারপতি মো. শওকত হোসেন, বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ।


আরো পড়ুন : ফিরে দেখা : পিলখানা হত্যাকাণ্ড


বিকেল ৪টার দিকে রবিবারের মতো রায় পড়া শেষ করা হয়। পরে বিচারপতি মো. শওকত হোসেন বলেন, কাল সোমবার পূর্ণাঙ্গ রায় পড়া শেষ হবে। আদালতে বিজিবির (সাবেক বিডিআর) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত ৯ নভেম্বর মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য ২৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন হাইকোর্ট। গত ১৩ এপ্রিল মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৫২ আসামির ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। ২০১৫ সালে এ মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানির জন্য বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা হয়।


আরো পড়ুন : পিলখানা হত্যাকাণ্ড : ডেথ রেফারেন্স ও


এই বেঞ্চে ৩৭০ কার্যদিবস আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমসহ বিভিন্ন আইনজীবী শুনানিতে অংশ নেন। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআরের সদর দপ্তরে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন প্রাণ হারান। ওই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। পরে মামলা দুটি নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তরিত হয়। বিচার হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসংলগ্ন আলিয়া মাদ্রাসা মাঠসংলগ্ন অস্থায়ী এজলাসে। বিচার শেষে ঢাকা মহানগর তৃতীয় বিশেষ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর রায় ঘোষণা করেন।

 


মন্তব্য