kalerkantho


জিয়াউর রহমানকে প্রথম রাষ্ট্রপতি বলার অভিযোগ

সুবিদ আলীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা খারিজ

আদালত প্রতিবেদক   

১৬ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:৩৩



সুবিদ আলীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা খারিজ

প্রতীকী ছবি

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে প্রথম রাষ্ট্রপতি বলার অভিযোগে কুমিল্লা-১ আসনের সরকারদলীয় এমপি সুবিদ আলী ভুইয়ার বিরুদ্ধে করা মানহানির মামলা খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। তদন্তে বাদীর আনা অভিযোগের সত্যতা পওয়া যায়নি মর্মে গোয়েন্দা পুলিশের দাখিল করা প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গতকাল বুধবার ঢাকার মহনগর হাকিম দেলোয়ার হোসেন ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারায় মামলাটি খারিজ করে দেন।

সুত্র জনায়, শুনানির সময় মামলার বাদী জিলানী সরকার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ওই প্রতিবেদনের বিরদ্ধে নারাজি আবেদন দেওয়র জন্য আদালতে সময় চান। কিন্তু বিচারক তা নাকচ করেন।   

সুবিদ আলীর আইনজীবী সাহানা ফেরদৌসী জানান, বাদীকে তার ঠিকানায় না পেয়ে ও সাক্ষীদের তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হাজির করতে না পারায় সুবিদ আলীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দেয়। মামলার বাদী প্রথমবার দাখিল করা ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজী দিলে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে ফের তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তীতে গোয়েন্দা পুলিশের দাখিল করা প্রতিবেদনে একই কথা বলা হয়।   

গত বছরের ২৩ আগস্ট সুবিদ আলীর বিরুদ্ধে মামলাটি করেন দাউদকান্দি উপজেলা যুবলীগ নেতা জিলানী সরকার। ওইদিন বাদীর জবানবন্দি নিয়ে সুবদ আলীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি তদন্ত করে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।  

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৬ সালের ১৭ আগস্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মেজর জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের প্রথম রা্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করেন সুবিদ আলী ভূঁইয়া।

এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে সুবিদ আলী ভূঁইয়া দাবি করেন, ‘আমি জিয়াউর রহমানকে প্রথম রাষ্ট্রপতি বলিনি। এ কথার প্রমাণ দিতে পারলে দল ও সংসদ থেকে পদত্যাগ করব। ’

প্রসঙ্গত, সুবিদ আলী ভূঁইয়া সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) ছিলেন। চাকরি শেষে ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে কুমিল্লার দাউদকান্দি (কুমিল্লা-১) থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। পরে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ২০০৮ সালে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করেন জয়লাভ করেন ও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে তার প্রতিপক্ষ ছিলেন বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।  

 


মন্তব্য