kalerkantho


তুরাগে ৩০টি প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের শুনানি ২৯ অক্টোবর

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ অক্টোবর, ২০১৭ ১৪:২৮



তুরাগে ৩০টি প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের শুনানি ২৯ অক্টোবর

তুরাগ নদী দখল করে থাকা ৩০টি প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ২৯ অক্টোবর দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট। আজ রবিবার এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

 

এর আগে গত ৫ জানুয়ারি তুরাগ নদীর উভয়পাড়ে অবৈধ স্থাপনা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য গাজীপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেয়।  

আদালতে এদিন প্রতিবেদন দাখিল করেন রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।

অবৈধ স্থাপনার ব্যাপারে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- এনন টেক্স, ড. ফরাস উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয়, কর্ডোড ল্যান্ড ডেভলপার এবং ক্যাপ্টেন জাকির হোসেন, রিয়াজ উদ্দিন, প্রত্যাশা হাউজিং, গাজীপুর সিটি করপোরেশন, নার্গিস আক্তার অ্যান্ড সালাহ উদ্দিন, মো. জাহাঙ্গীর জিপার ফ্যাক্টরি, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ড্রাইভারস ইউনিয়ন, সেন্ট্রাল মেডিক্যাল কলেজ, ইউনুস মেম্বার,(আনন্দ গ্রুপ) জরিনা টেক্সটাইল, হামিম গ্রুফের সাজিদ ওয়াশিং, বিশ্ব ইজতেমা, শিল্প সম্পর্কিত শিক্ষায়ন, টঙ্গী নিউ মার্কেট (মসজিদ মার্কেট), শাহ আলম গং, মোসলেম সরকার, মেজবাহ উদ্দিন সরকার, আব্দুল হাই, আবু তাহের, গিয়াস উদ্দিন, ছোবহান শেখ, লুৎফা বেগম, ডলি বেগম, সেলিম শেখ, ফজলু মিয়া, আনোয়ার গ্রুপ, দি মার্চেন্ট লি, অ্যান্ড প্যাকেজিং ফ্যাক্টরি, টেক্সাটাইল মালিক ইমান আলীসহ এই ৩০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম পাওয়া গেছে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ নভেম্বর 'তুরাগকে মৃত ঘোষণা সময়ের ব্যাপার' শিরোনামে একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হিউম্যান রাইটস পিস ফর বাংলাদেশ একটি রিট আবেদন করে। পরে ওই আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রুলসহ বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।


মন্তব্য