kalerkantho


রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণ

সাফাতসহ তিনজনের জামিন আবেদন নাকচ

আদালত প্রতিবেদক   

৮ অক্টোবর, ২০১৭ ২০:৫২



সাফাতসহ তিনজনের জামিন আবেদন নাকচ

সাফাত। ফাইল ছবি

রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় সাক্ষী না আসায় ফের দিন ধার্য হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে মামলায় চার্জ গঠনের পর সাক্ষীর জন্য ধার্য পর পর তিনটি তারিখে আদালতে মামলার বাদীকে সাক্ষী দিতে হাজির করেনি রাষ্ট্রপক্ষ।

ফলে শুরুতেই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বিচারের কার্যক্রম। এদিকে মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে সাফাতসহ তিনজনের জামিন আবেদন করা হলে তা নাকচ করেছেন আদালত।

আজ রবিবার ঢাকার ২ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার সাক্ষী হাজির করতে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৬ অক্টোবর পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

এ ছাড়া আপন জুয়েলার্সের অন্যতম মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে মামলার প্রধান আসামি সাফাত আহমেদ, তার দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেনের পক্ষে জামিন আবেদন শুনানির পর তা নাকচ করেন। শুনানি শেষে মামলার পাঁচ আসামিকে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শুনানির আগে তাদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
চলতি বছরের গত ১৩ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়। এরপর থেকে ধার্য তারিখ ২৪ জুলাই, ৬ আগস্ট, ১০ সেপ্টেম্বর ও গতকাল পর্যন্ত সাক্ষী হাজির হয়নি।

এ মামলার তদন্ত শেষে পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি গত ৭ জুন আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটে আসামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওরফে এইচএম হালিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। অপর আসামি সাদমান সাকিব, সাফাতের দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসনের বিরুদ্ধে ৩০ ধারায় সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। সাক্ষী হিসাবে ৪৭ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

চলতি বছরের গত ২৮ মার্চ জন্মদিনের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেয়ার কথা বলেন বনানীর হোটেল রেইনট্রিতে নিয়ে দুই তরুণীকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ধর্ষণের ঘটনার চল্লিশ দিন পর গত ৬ মে বনানী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেন ধর্ষণের শিকার হওয়া একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী। চার্জশিটভুক্ত মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে সাফাতের দেহরক্ষী রহমত আলী ছাড়া অন্যরা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।


মন্তব্য