kalerkantho


জঙ্গিবাদে অর্থায়ন: ১১ জন তিন দিনের রিমান্ডে

আদালত প্রতিবেদক   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২৩:৫৫



জঙ্গিবাদে অর্থায়ন: ১১ জন তিন দিনের রিমান্ডে

জঙ্গিবাদে অর্থায়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১১ জনকে পুলিশের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। আজ সোমবার  ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিরুল হায়দার চৌধুরী আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন।

শুনানির আগে আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রবিবার রিমান্ড আবেদন শুনানির সময় কেস ডকেট (সিডি) না থাকায় তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

সন্ত্রাস বিরোধী আইনে রাজধানীর রূপনগর থানার একটি মামলায় ১০ দিন রিমান্ড চাওয়া হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রূপনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আকতারুজ্জামান ইলিয়াস রিমান্ডের অনুমতি চেয়ে করা আবেদনে বলেন, 'স্পেনের প্রতিষ্ঠিত আইটি কম্পানি সিনটেল ও বাংলাদেশের ওয়াইমি একই মালিকের প্রতিষ্ঠান। 'ওয়াইমি' সবার দৃষ্টিতে সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করলেও এই ব্যবসার আড়ালে বিদেশ থেকে আসা অর্থ গ্রহণ করতো ও দেশে অবস্থান করা জঙ্গিদের কাছে পৌছে দিতো। সমস্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ১১টি ল্যাপটপ, ১২টি মোবাইল, হটি কার্ড পাঞ্চিং মেশিন, পাসপোর্ট, ভোটার আইডিসহ প্রচুর নথিপত্র উদ্ধার হয়েছে। এইসব নথিপত্র প্রাথমিকভাবে যাচাই করে অনেক অর্থ লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে ঠিক কি পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয়েছে তা সঠিকভাবে জানা যায়নি।

এই অর্থ অস্ত্র-বিস্ফোরক ক্রয়, ট্রেনিংসহ অন্যান্য কাজে তারা ব্যয় করতো বলে ধারণা করা হচ্ছে। রিমান্ডে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য উদ্‌ঘাটন করা সম্ভব হবে। তদন্তের স্বার্থে প্রার্থিত মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করা হোক।

এরা হলেন- রাজশাহী মহানগরীর হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজার নাহিদুদ্দোজা মিঞা ওরফে নাহিদ (৩২), টলি নাথ (৪০), হেলাল উদ্দিন (২৯), আল আমিন (২২), ফয়সাল ওরফে তুহিন (৩৭), মঈন খান (৩৩), আমজাদ হোসেন (৩৪), তাজুল ইসলাম (২৭), জাহেদুল্লাহ (২৯), আল-মামুন (২০) ও আল-আমিন (২১)।

গত শনিবার ভোরে ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনার বিভিন্ন এলাকা থেকে এদের গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৪ এর অপারেশন দল। ঢাকায় মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের মুখপাত্র মুফতি মাহমুদ খান জানান, একই মালিকের দুই প্রতিষ্ঠানে স্পেন ও বাংলাদেশে দুই দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একইসঙ্গে অভিযান পরিচালনা করে। স্পেনে আতাউল হক সবুজকেও আটক করা হয়েছে। প্রয়োজনে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে দেশে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।


মন্তব্য