kalerkantho


সহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগে কনস্টেবল আরিফ কারাগারে

আদালত প্রতিবেদক   

২০ আগস্ট, ২০১৭ ২২:০৫



সহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগে কনস্টেবল আরিফ কারাগারে

প্রতীকী ছবি

রাজারবাগ পুলিশ লাইনে কর্মরত নারী পুলিশ কনস্টেবলকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার সহকর্মী কনস্টেবল আরিফুল ইসলামকে (২২) কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আজ রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আবদুল্লাহ আল মাসুদ শুনানি শেষে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা লায়েদুল ইসলাম আসামিকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করেন। এক প্রতিবেদন দাখিল করে বলেন, অভিযোগকারিনীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শনিবার রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো  হয়েছে। ওই রিপোর্ট পাওয়া গেলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যাবে। ধর্ষণের ঘটনাটি তদন্তের অপেক্ষায়। এ অবস্থায় আসামি কারাগারে না থাকলে তদন্তে ব্যাঘাত হওয়ার আশংকা রয়েছে। তাই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে রাখার আদেশ হওয়া প্রয়োজন।

পুলিশের প্রতিবেদনের বিপরীতে আদালতে আরিফুলের জামিন চেয়ে আইনজীবী জিয়াউর রহমান শুনানিতে বলেন, আসামি ঈর্ষান্বিত একটি মহলের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার। অভিযোগকারীর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। হয়রানি করার লক্ষ্যে অসৎ উদ্দেশ্যে তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় ধর্ষণের অভিযোগে শাহজাহানপুর থানায় এজাহার দায়ের করেন ওই নারী পুলিশ সদস্য। মামলা নম্বর ৩৪।

এজাহারে বলা হয়, প্রায় ১০ মাস আগে আরিফুল ইসলামের সাথে বাদীর প্রেম হয়। গত ২ জুন সকালে আরিফুল বাদীনীকে বিয়ে করবেন বলে ফোন দিয়ে মালিবাগ আসতে বলে। সেখানে যাওয়ার পর বাদীনীকে মালিবাগের হোটেল মৌচাকের ষষ্ঠ তলার ৬০৬ নম্বর কক্ষে নিয়ে যান আরিফুল। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরে বাদী বিয়ের কথা বললে সে কর্ণপাত করেননি। বর্তমানে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন।

মামলা দায়েরের পর ওই রাতেই আরিফুলকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন থেকে গ্রেপ্তার করে শাহজাহানপুর থানা পুলিশ।


মন্তব্য