kalerkantho


বিজিএমইএর আবেদনের শুনানি রবিবার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ মার্চ, ২০১৭ ১২:৫২



বিজিএমইএর আবেদনের শুনানি রবিবার

অফিস সরাতে তিন বছর সময় চেয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) করা আবেদন শুনানির দিন রবিবার ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ। আবেদনটি উপস্থাপন করা হলে আজ বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই দিন ধার্য করেন।

আদালতে বিজিএমইএর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

আইন না মেনে গড়ে তোলা বিজিএমইএর ১৬তলা ভবন ভাঙতে রায় দিয়েছেন আদালত। সর্বোচ্চ আদালতের এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে করা আবেদন গত রবিবার খারিজ হওয়ায় রাজধানীর বহুল আলোচিত এই ভবন ভাঙার বিষয়ে আইনি সব প্রক্রিয়া শেষ হয়। বিজিএমইএ অফিস অন্যত্র স্থানান্তরে ক'দিন সময় লাগবে, তা জানিয়ে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে আবেদন করতে বলেছেন আদালত। এর ধারাবাহিকতায় সময় চেয়ে আবেদনটি করা হয়।

২০১০ সালের ২ অক্টোবর রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অনুমোদন ছাড়া বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ বিষয় নিয়ে একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রতিবেদন ছাপা হয়। ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল হাইকোর্টের রায়ে ওই ভবনটিকে হাতিরঝিল প্রকল্পে একটি ক্যান্সারের মতো উল্লেখ করে রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেন।

দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে গত বছরের ৮ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।

এতে বলা হয়, বেগুনবাড়ি খাল ও হাতিরঝিল জলাভূমিতে অবস্থিত বিজিএমইএ কমপ্লেক্স নামের ভবনটি নিজ খরচে অবিলম্বে ভাঙতে আবেদনকারীকে (বিজিএমইএ) নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। এতে ব্যর্থ হলে রায়ের কপি হাতে পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে রাজউককে ভবনটি ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হলো। এ ক্ষেত্রে ভবন ভাঙার খরচ আবেদনকারীর (বিজিএমইএ) কাছ থেকে আদায় করবে তারা। রায়ে বলা হয়, ভবন নির্মাণের জন্য জলাধার আইন, ২০০০ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী পরিবেশগত ছাড়পত্র নিতে হয়। এখানে তা অনুপস্থিত।

 


মন্তব্য