kalerkantho


স্বর্ণ চোরাচালানে বিমানের ১৭ কর্মকর্তা অভিযুক্ত

আদালত প্রতিবেদক   

৬ মার্চ, ২০১৭ ২৩:০২



স্বর্ণ চোরাচালানে বিমানের ১৭ কর্মকর্তা অভিযুক্ত

সোনা চোরাচালানের দুই মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১০৬ কেজি ও ১২৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধারের পৃথক দুটি ঘটনায় দায়ের হওয়া দুই মামলায় দুটি চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।  

এর মধ্যে ১০৬ কেজি সোনা চোরাচালান মামলার চার্জশিটে বিমানের ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মোট ২৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আর ১২৪ কেজি সোনা উদ্ধারের মামলায় বিমানের ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়েছে।  

আজ সোমবার ঢাকার এমএম আদালতে অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) আনিসুর রহমান চার্জশিট দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুই মামলার ধার্য তারিখে চার্জশিটগুলো আদালতে উপস্থাপন করা হবে।  

১২৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত শেষে মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সহকারী কমিশনার গোলাম সাকলায়েন। ৪২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে বিমানের কর্মকর্তারা হলেন, বিমানের জুনিয়র সিকিউরিটি অফিসার কামরুল হাসান, বিমানের সুইপিং সুপারভাইজার আবু জাফর, বিমানের এয়ারক্রাফট মেকানিক মো. মাসুদুর রহমান, মেকানিক অ্যাসিস্ট্যান্ট আনিস উদ্দিন ভূঁইয়া, মেকানিক মজিবর রহমান, জুনিয়র ইন্সপেকশন অফিসার মো. শাহজাহান সিরাজ ওরফে বাবুল, বিমানের ইঞ্জিনিয়ারিং অফিসার সালেহউদ্দিন।  

অন্য আসামিরা হলেন, নেপালের নাগরিক গৌরাঙ্গ রোসান, তাঁর সহযোগী বাংলাদেশি সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী মিলন শিকদার, সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী আব্দুল বারেক তরফদার, ব্যবসায়ী সালেহ আহম্মদ খান, ব্যবসায়ী মানিক মিয়া, ব্যবসায়ী সুব্রত কুমার দাস ওরফে লিটন, ব্যবসায়ী এস এম নুরুল ইসলাম, মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ী সালেহ আহম্মেদ, মো. রায়হান আলী, সিরাজুল ইসলাম ও জসিমউদ্দিন।  

নথিসুত্রে জানা গেছে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২০১৩ সালের ২৪ জুলাই বাংলাদেশ বিমানের বিজি ৭০২ ফ্লাইটে ১২৪ কেজি সোনার চালান ধরা পড়ে।

বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়।


মন্তব্য