kalerkantho


ভুয়া প্রশ্ন ফাঁসের মামলায় গ্রেপ্তার ৮ জন রিমান্ডে

আদালত প্রতিবেদক   

২ মার্চ, ২০১৭ ২২:৩৬



ভুয়া প্রশ্ন ফাঁসের মামলায় গ্রেপ্তার ৮ জন রিমান্ডে

ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় আটজনের প্রত্যেকের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর হাকিম এস এম মাসুদ জামান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।  

আসামিরা হলেন জহিরুল ইসলাম (২৩), রফিকুল ইসলাম (৪৫), লিটন আলী (২২), তারিকুজ্জামান (২০), আরিফুল ইসলাম (২১), রুমন হোসেন, রাজীব আলী (২৬) ও ইয়াছিন আরাফাত (২২)। এর আগে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন আসামিদের আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন।  

প্রতিবেদনে বলা হয় আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী চক্র। চলতি বছরের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ফেসবুকে ছড়িয়ে বিজ্ঞাপন দেয়। আসামিরা ফেসবুকের মাধ্যমে ভুয়া প্রশ্নের সন্ধান পেতেন। জ্ঞানকোষ একাডেমি কেয়ারের পরিচালক আসামি রফিকুল ইসলাম এসএসসি পরীক্ষার বিভিন্ন কেন্দ্রে অসাধু শিক্ষকদের সহায়তায় পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রশ্নপত্রের ছবি আসামি জহিরুল ইসলামের কাছে পাঠাতেন। জহিরুল ইসলাম ওই প্রশ্নের উত্তর সহকারে ফেসবুকে পোস্ট করতেন। তারা বিভিন্ন চ্যাট গ্রুপের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র আদান-প্রদান ও বেচাকেনা করে আসছিল।  

আসামি তারিকুজ্জামান, আরিফুল ইসলাম, রুমন হোসেন ফেসবুকের এসব চ্যাট গ্রুপের অ্যাডমিন হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।

তারা ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন জেলার স্কুলের শিক্ষার্থীদের কাছে ভুয়া প্রশ্নপত্র সরবরাহ করে থাকেন।  

আসামি লিটন আলী হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র তারিকুজ্জামানকে পাঠিয়েছিলেন বলে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে ভুয়া প্রশ্নপত্র সরবরাহ করে বিকাশ ও রকেট অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করেছেন। এই ভুয়া প্রশ্নপত্র চক্রের মূল হোতা ও অপর পলাতক আসামিদের সম্পর্কে তথ্য উদঘাটন করে তাদের গ্রেপ্তার করতে আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।  

ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে গতকাল বুধবার রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক নাজমুল হক বাদী হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে মামলা করেন।


মন্তব্য