kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বাগেরহাটে ইছুব আলী হত্যা মামলায় দুই ভাইয়ের যাবজ্জীবন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ অক্টোবর, ২০১৬ ১৪:৪০



বাগেরহাটে ইছুব আলী হত্যা মামলায় দুই ভাইয়ের যাবজ্জীবন

বাগেরহাটে চাঞ্চল্যকর ইছুব আলী হত্যা মামলায় দুই ভাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আদালত তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন।

বৃহস্পতিবার বিকালে বাগেরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ রায় দেন।
আদালত ওই মামলার অপর চার আসামির প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর দুই নারী আসামিকে বেকসুর ঘোষণা করেন। আসামিরা সবাই একই পরিবারের সদস্য।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত দুই ভাই হলেন, জেলার কচুয়া উপজেলার বাঁধাল নিকারীপাড়া গ্রামের সেরজন আলী সরদারের দুই ছেলে আক্কাস আলী সরদার এবং আশ্রাব আলী সরদার।
এক বছর করে দণ্ডপ্রাপ্ত চারজন হলেন- সেরজন আলী সরদারের আরেক ছেলে নুরুল ইসলাম, যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আক্কাস আলীর স্ত্রী রহিমা বেগম, যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আশ্রাব আলীর ছেলে কামরুল আলী ও কামরুলের স্ত্রী কামরুন্নেছা। দণ্ডপ্রাপ্তরা মামলা চলাকালে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্তদের সঙ্গে একই গ্রামের শাজাহান হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। ২০০২ সালের ২০ ডিসেম্বর সকালে আসামিরা বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে গাছের ডাল কাটতে যান। এসময় শাজাহান হাওলাদারের বাবা ইছুব আলী হাওলাদার সেখানে এসে তাদের বাধা দেন। ঘটনার এক পর্যায়ে আসামিরা শাবল, লোহার রড এবং লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ইছুব আলীকে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে শাজাহান বাদী হয়ে আট জনকে আসামি করে ওই দিন কচুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলা তদন্ত কর্মকর্তা কচুয়া থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রেজাউল ইসলাম তদন্ত শেষে ২০০৩ সালের ১৫ মে ওই আট জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।


মন্তব্য