kalerkantho


ফারুক হত্যা : এমপি রানার ২ সহযোগী কারাগারে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৩:৫৪



ফারুক হত্যা : এমপি রানার ২ সহযোগী কারাগারে

টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার পর আত্মসমর্পণকারী তার দুই সহযোগীকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ শনিবার সকালে নাসির উদ্দিন নূর ও সাবেক কমিশনার মাসুদুর রহমান অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। আদালত আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে জানান আদালত পুলিশের পরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম।

এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল ৩ (ঘাটাইল) আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানা দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থেকে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে আদালত তার জামিন আবেদন বাতিল করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন। বিগত ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ টাঙ্গাইল শহরে তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার সামনে পাওয়া যায়। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় মামলা করেন। প্রথমে থানার পুলিশ ও পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মামলার তদন্ত শুরু করে।

বিগত ২০১৪ সালের আগস্টে এই মামলার আসামি আনিছুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী গ্রেপ্তার হন। আদালতে তাঁদের স্বীকারোক্তিতে এমপি রানা ও তাঁর তিন সহোদর ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র শহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। এরপর থেকেই এমপি রানা ও তাঁর ভাইরা আত্মগোপনে ছিলেন। চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি এমপি রানা ও তাঁর তিন ভাইসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়।

গত ৬ এপ্রিল আদালত মামলার চার্জশিট গ্রহণ করে পলাতক এমপি রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। গত ১৭ মে এই ১০ জনের বিরুদ্ধে হুলিয়া ও মালামাল জব্দ করার নির্দেশ দেন আদালত। গত ২০ মে পুলিশ এমপি রানা ও তাঁর তিন ভাইয়ের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মালামাল জব্দ করে। তবে সেখানে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না। সর্বশেষ গত ১৬ জুন আদালত আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।

 


মন্তব্য