kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


যুদ্ধাপরাধ : নেত্রকোনার তিনজনের অভিযোগ দাখিল ২৮ নভেম্বর

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৩:২৩



যুদ্ধাপরাধ : নেত্রকোনার তিনজনের অভিযোগ দাখিল ২৮ নভেম্বর

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের মামলায় নেত্রকোনার তিন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত সময় পেয়েছে প্রসিকিউশন। বিচারপতি আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সোমবার প্রসিকিউশনের সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে এই তারিখ ঠিক করে দেন।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন মোখলেসুর রহমান বাদল। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর সাবিনা ইয়াসমিন মুন্নী। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মাসুদ রানা।

নেত্রকোনার এই তিন আসামি হলেন হেদায়েত উল্লাহ ওরফে মো. হেদায়েতুল্লাহ ওরফে আঞ্জু বিএসসি (৮০), তার ভাই এনায়েত উল্লাহ ওরফে মঞ্জু (৭০) এবং সোহরাব ফকির ওরফে সোহরাব আলী ওরফে ছোরাপ আলী (৮৮)। তাদের তিনজনই একাত্তরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সহযোগিতার জন‌্য গঠিত রাজাকার বাহিনীর সদস‌্য ছিলেন এবং আঞ্জু স্থানীয় শান্তি কমিটিরও সদস্য ছিলেন বলে প্রসিকিউশনের অভিযোগ।

২০১৫ সালের ৫ মে তদন্ত শুরুর পর গত ৮ সেপ্টেম্বর এই তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ হয়েছে বলে জানায় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। তিন আসামির মধ‌্যে দুই সহোদর আঞ্জু-মঞ্জু পলাতক, ছোরাপ কারাগারে রয়েছেন। তাদের সবার গ্রামের বাড়ি আটপাড়া থানার কুলশ্রীতে। তবে আঞ্জু থাকতেন রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার হেতেম খাঁ মেথর পাড়ায়। অন্যদিকে ছোরাপ একই জেলার মদন থানার জাহাঙ্গীরপুরে থাকতেন। আসামিদের তিনজনই একাত্তরে জামায়াতের কর্মী ছিলেন। এদের মধ্যে আঞ্জু-মঞ্জু এখনো জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে প্রসিকিউশনের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রশিদ।

প্রসিকিউশন বলছে, তদন্তে তিন আসামির বিরুদ্ধে আটক, অপহরণ, নির্যা‌তন, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, হত্যা, গণহত্যা ও দেশত্যাগে বাধ্য করার মতো অপরাধের তথ‌্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে; গ্রহণ করা হয়েছে ৪০ জনের সাক্ষ্য। নেত্রকোনার আটপাড়া থানার মধুয়াখারী গ্রাম, মোবারকপুর গ্রাম, সুখারী গ্রাম এবং মদন থানার মদন গ্রামে সংঘটিত এসব অপরাধের ভিত্তিতে এই তিন আসামির বিরুদ্ধে ছয়টি অভিযোগ প্রস্তুত করা হয়েছে বলে তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান জানিয়েছেন।

 


মন্তব্য