kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


টাঙ্গাইলের সংসদ সদস্য আমানুর কারাগারে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৯:১২



টাঙ্গাইলের সংসদ সদস্য আমানুর কারাগারে

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে আজ কারাগারে পাঠানো হয়েছে।  
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় আমানুর রহমান খান রানার জামিন নামঞ্জুর করে আদালত তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

 
তিনি রোববার সকালে টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগেই তিনি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ঢুকে পড়েন। আত্মসমর্পণের পর তার পক্ষের আইনজীবীরা তার জমিনের আবেদন জানান। বাদিপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানী শেষে বিচারক আবুল মনসুর আহমেদ সংসদ সদস্য রানার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ সময় আদালতে মামলার বাদী নিহত ফারুক আহমেদের স্ত্রী নাহার আহমেদ, আসামীর পিতা আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও আদালত চত্বরে বিপুলসংখ্যক উৎসক জনতা উপস্থিত ছিলেন।  
২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়া এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।  
২০১৪ সালের আগস্টে এ মামলার আসামি আনিছুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলীকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
আদালতে তাঁদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে এ হত্যাকান্ডে এমপি রানা ও তাঁর তিন সহোদর ভাই টাঙ্গাইল পৌর সভার সাবেক মেয়র শহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি বেরিয়ে আসে। এরপর থেকেই এমপি রানা ও তার তিন ভাই আত্মগোপনে থাকেন।
চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় এমপি রানা ও তাঁর তিন ভাইসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করা হয়। ৬ এপ্রিল আদালত মামলার চার্জশীট গ্রহণ করে রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। ১৭ মে এই ১০ জনের মালামাল জব্দ করার নির্দেশ দেন আদালত। ২০ মে পুলিশ এমপি রানা ও তাঁর তিন ভাইয়ের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মালামাল জব্দ করে।  
গত ১৬ জুন আদালত আসামিদের হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন। এমপি রানার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি চিঠি দিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে জানানো হয়।


মন্তব্য