kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


গাজীপুরে ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁসি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৯:০১



গাজীপুরে ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁসি

গাজীপুরে ব্যবসায়ী মো. আবু সাঈদকে হত্যা মামলায় পাঁচজনকে ফাঁসি এবং একজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।  
আজ রবিবার দুপুরে গাজীপুরের জেলা ও দায়রা জজ একেএম এনামুল হক এ রায় দেন।


রায়ে একইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরো এক মাসের সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়।  
ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ধীরাশ্রম এলাকার শাহাদাৎ আলী ওরফে ছাদুর ছেলে মো. ইয়াকুব আলী (৩৫), একই এলাকার মৃত ইউনুস আলীর ছেলে মো. হান্নান ওরফে হান্নু (৩৬), চাঁন মিয়ার ছেলে মো. দেলোয়ার হেসেন ওরফে দেলু (৩৬), বাদশা মিয়ার ছেলে মো. মনির (৩৩) ও মো. বেদন মিয়ার ছেলে মো. ইকবাল হোসেন (৩৩)।  
যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত মো. মাসুদ ওরফে মাইছ্যা একই এলাকার মো. বাচ্চু মিয়ার ছেলে।  
রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডপ্ত আসামি দেলোয়ার হোসেন দেলু আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্যরা পলাতক।
গাজীপুর আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট হারিছ উদ্দিন আহমদ জানান, পূর্বশত্রুতার জেরে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ধীরাশ্রম এলাকার মাটি সরবরাহের ঠিকাদার ব্যবসায়ী মো. আবু সাঈদকে বাড়ি থেকে ২০০৮ সালের ১৭ জুন রাতে ডেকে নিয়ে যায় আসামিরা। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পার্শ্ববর্তী ধীরাশ্রম রেলওয়ে স্টেশনের কাছে ফেলে রাখে।
খবর পেয়ে পরদিন নিহতের বাবা মো. নুরুল ইসলাম ওরফে নুরু মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন। ওই দিনই ছেলে হত্যার ঘটনায় তিনি একই এলাকার ইয়াকুব, দেলোয়ার, মাসুদ ও হান্নানের নামে এবং অজ্ঞাত ৩-৪ জনকে আসামি করে জয়দেবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সৈয়দ আজহারুল ইসলাম তদন্ত শেষে হত্যায় জড়িত থাকায় ওই চারজন এবং মনির ও ইকবালের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।  
দীর্ঘ শুনানি ও ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রোববার দুপুরে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে এ রায় ঘোষণা করেন।  
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. হারিছ উদ্দিন আহমদ এবং আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. হুমায়ুন কবীর, মো. লাবীব উদ্দিন ও সালেহ উদ্দিন রিপন।


মন্তব্য