kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০১৭ । ৬ মাঘ ১৪২৩। ২০ রবিউস সানি ১৪৩৮।


খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩০ মার্চ, ২০১৬ ১৭:১৩



খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কামরুল হোসেন মোল্লা বুধবার এ পরোয়ানা জারি করেন।

২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রাবাড়ীর কাঠেরপুল এলাকায় গ্লোরি পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে বাসের ২৯ যাত্রী দগ্ধ হন। তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হলে ১ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নূর আলম (৬০) নামে এক যাত্রী। মামলার বিব্রনে একথা জানা গেছে।

ওই ঘটনায় ২৪ জানুয়ারি বিকেলে খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কে এম নুরুজ্জামান। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫/২৫ (ঘ) ধারায় দায়ের করা মামলায় পেট্রোলবোমা নিক্ষেপের পরিকল্পনাকারী হিসেবে বিএনপির ১৮ নেতার নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী হিসেবে যাত্রাবাড়ী বিএনপির ৫০ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।

মামলায় অভিযুক্ত অন্যতম আসামিরা হলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন, শওকত মাহমুদ, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান,বরকত উল্লাহ বুলু, রুহুল কবির রিজভী (বর্তমানে সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব), স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ সহ ৩৮ জন।

২০১৫ সালের ৬ মে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) বশির উদ্দিন ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে আলাদা অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। এতে খালেদা জিয়াসহ ৩১ জনকে পলাতক দেখানো হয়েছে। আদালতে বেগম খালেদা জিয়াসহ পলাতক ৩১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। এ মামলায় সাক্ষী করা হয় ৮১ জনকে।

মামলায় জামিনে আছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, যুগ্ম মহাসচিব আমানুল্লাহ আমান, রুহুল কবীর রিজভী (বর্তমানে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব), চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদসহ ছয়জন। অন্যদিকে মামলার চারজন আসামি কারাগারে রয়েছেন।


মন্তব্য