kalerkantho


রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম নিয়ে হাইকোর্টের রুলের শুনানি দুপুরে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৮ মার্চ, ২০১৬ ১১:০৩



রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম নিয়ে হাইকোর্টের রুলের শুনানি দুপুরে

সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম অন্তর্ভুক্তির রুলের শুনানি আজ সোমবারে হাইকোর্টের কার্যতালিকায় রাখা হয়েছে। দুপুর ২টায় বিচারপতি নাঈমা হায়দার, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে এ রুলের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। আবেদনকারীদের আইনজীবী এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিক জানান, এ দিন নতুন করে অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। এর আগে ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৪ আইনজীবীকে অ্যামিকাস কিউরি মনোনীত করে ২০১১ সালের দেওয়া আদেশ প্রত্যাহার করেন হাইকোর্ট।

উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালে সংবিধানে অনুচ্ছেদ ২-এর পর ২(ক) এ 'প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম হবে ইসলাম, তবে অন্যান্য ধর্মও প্রজাতন্ত্রে শান্তিতে পালন করা যাইবে' যুক্ত করা হয়। এ বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই সালে 'স্বৈরাচার ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ কমিটি'র পক্ষে রিট (নম্বর ১৪৩৪/১৯৮৮) দায়ের করেন ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি। এ রিট দায়েরের দীর্ঘ ২৩ বছর পর ২০১১ সালের ৮ জুন একটি সম্পূরক আবেদন করা হয়। ওই দিনই বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেন।

পাশাপাশি শুনানির জন্য অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে ১৪ জন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ রুল জারির কিছুদিন পর একই বছরের ২৫ জুন সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী করা হয়। এতে ২ অনুচ্ছেদ আবারও সংশোধন করা হয়। সংশোধনীতে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সম-অধিকার নিশ্চিত করবে।

এ সংশোধনীর পর আবারো সম্পূরক আবেদন করা হয়। এ আবেদনের পর ২০১১ সালের ১ ডিসেম্বর হাইকোর্টের একই বেঞ্চ সম্পূরক রুল জারি করেন। এরপর এ রুলের ওপর হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে শুনানির জন্য গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর আবেদন করেন রিট আবেদনকারীপক্ষ। এ আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি।

 


মন্তব্য