kalerkantho

শনিবার । ২১ জানুয়ারি ২০১৭ । ৮ মাঘ ১৪২৩। ২২ রবিউস সানি ১৪৩৮।


ওসি অবনির বিরুদ্ধে পুনঃতদন্তের নির্দেশ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ মার্চ, ২০১৬ ১৪:০৪



ওসি অবনির বিরুদ্ধে পুনঃতদন্তের নির্দেশ

যাত্রাবাড়ী থানার ওসি অবনি শংকরসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগের পুনর্বিচার ও বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। ঢাকার ২ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শফিউল আজম আজ এ আদেশ দেন। এর আগে গত ২০ জানুয়ারি মামলাটি দায়ের করা হলে ২১ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেয়। ঢাকা সিএমএম আদালতের একজন ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগের বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে উল্লেখ করা হয়। ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার ভিকটিম বাদিনী আপত্তি দাখিল করে পুনঃতদন্তের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আবেদন মঞ্জুর করে পুনর্বিচার বিভাগীয় তদন্তের আদেশ দেন একই সঙ্গে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটের নিচে নয় এমন কর্মকর্তা দ্বারা এই পুনর্বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই নারীর দায়ের করা মামলার আসামিরা হলেন : যাত্রাবাড়ী থানার ওসি অবনি শংকর ও মুগদা থানার এসআই আবদুল কাদের, যাত্রাবাড়ী থানার এসআই জসিম, জামাল ও কনস্টেবল দেবাশীষ।

মামলায় বলা হয়, মুগদা থানার এসআই আবদুল কাদেরের মেয়ের সঙ্গে মামলার বাদিনীর ছোট ভাই ইমরানের ২০১৫ সালের ৪ অক্টোবর বিয়ে হয়। কিন্তু মেয়ের বাবা আবদুল কাদের এ বিয়ে মেনে না নিয়ে ইমরানের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করেন। পরে ইমরান আত্মসমর্পণ করে আদালত থেকে জামিন পান। জামিন পাওয়ার পর ইমরানকে যাত্রাবাড়ী থানার ওসি দেখা করতে বললে তিনি যাত্রাবাড়ী থানায় গিয়ে এসআই জসিমের সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় এসআই জসিম তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ইমরান চাঁদা দিতে অস্বীকার করে চলে আসেন।

২০১৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ইমরানকে এসআই আবদুল কাদের তার বাসায় ডেকে এনে ব্যাপক নির্যাতন করে। এরপর মামলার বাদিনীকে ফোন করে ওই বাসায় আসতে বলা হয়। বাদিনী বোনকে নিয়ে বাসায় এলে আসামিরা তার হাত ধরে টানাটানি করে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। বিষয়টি জানাজানি হলে তাদের গাড়িতে করে যাত্রাবাড়ী থানায় নিয়ে আসা হয়। ওসিও এ সময় বাদিনীর হাত ধরে টানাটানি এবং অশোভন আচরণ করেন।

 


মন্তব্য