kalerkantho

গণশুনানিতে স্থানীয় ও পারিবারিক বিবাদ মীমাংসার আবেদন করে অনেকে ইতোমধ্যে দ্রুত তাঁদের সমস্যার সমাধান পেয়েছেন। প্রতি বুধবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ২টা পর্যন্ত এখানে নানা সমস্যা নিয়ে হাজির হন রাউজানবাসী।

উপজেলা প্রশাসনের গণশুনানি মন জয় করল রাউজানবাসীর

জাহেদুল আলম, রাউজান (চট্টগ্রাম)   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ন্যায়বিচার পেতে অসহায় বিচারপ্রার্থী মানুষের আস্থার ঠিকানায় পরিণত হয়েছে রাউজান উপজেলা প্রশাসনের গণশুনানি কার্যক্রম।

যেসব বিচার স্থানীয়ভাবে বা ইউনিয়ন পরিষদ করতে পারছে না বা কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যদি মনে করেন ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ন্যায় বিচার পাওয়া সম্ভব নয়, সালিসের নামে হয়রানি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাঁদের আস্থার ঠিকানায় পরিণত হয়েছে রাউজান উপজেলা প্রশাসনের গণশুনানি।

গণশুনানিতে স্থানীয় ও পারিবারিক বিবাদ মীমাংসার আবেদন করে অনেক সেবাপ্রার্থী ইতোমধ্যে খুবই দ্রুততার সঙ্গে তাঁদের সমস্যার সমাধান পেয়েছেন।

যে কারণে প্রতি বুধবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ২টা পর্যন্ত এখানে নানা সমস্যা নিয়ে হাজির হচ্ছেন সেবা প্রার্থীরা।

জানা গেছে, স্থানীয় সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর নির্দেশে জনগণ যেন সুষ্ঠু ও ন্যায় বিচার পায়, সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে রাউজান উপজেলা পরিষদের কার্যালয়ে গণশুনানি নামে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম হোসেন রেজা রাউজানের যোগদানের পর থেকে এই কার্যক্রম জোরদার করা হয়।

তিনি ইতোমধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর নির্দেশে উপজেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন কিছু আধুনিকায়নের পাশাপাশি গণশুনানির নামে অসহায় ও বিচার বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি পেতে এই ব্যবস্থা চালু করেন। ফলে উপজেলায় প্রতি সপ্তাহের বুধবার বিচার প্রার্থীরা ভিড় জমাচ্ছেন।

এতে দেখা যায়, বিভিন্ন স্থানে ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত থেকে সুষ্ঠু ন্যায় বিচার পাবে না মনে করে এখানে বিচারের আশ্রয়স্থল হিসেবে ধরে নিচ্ছে। আবার অনেকে এটি উপজেলার সর্বোচ্চ স্থান হওয়ায় গণশুনানির এই বিচারের প্রতি আস্থা রাখছে।

সব মিলিয়ে গণশুনানি নামে প্রতি বুধবার অসহায় বিচার প্রার্থীর বিচার কার্য সম্পাদন করে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসেন রেজা।

এ বিষয়ে রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসেন রেজা বলেন, ‘জনগণ যেন ন্যায় বিচার পায় এবং সেবা প্রার্থীর ক্ষেত্রে কোনো অসঙ্গতি ও অসুবিধা না হয়, সেই দিকে লক্ষ রেখেই গণশুনানি চালু করি। ছোটখাটো বিবাদ আপসের মাধ্যমে মীমাংসা করতেই উপজেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ।’

মন্তব্য