kalerkantho


মাশরুম সংগ্রহ করে পাহাড়িদের বাড়তি আয়

জাকির হোসেন দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি)   

৬ জুন, ২০১৮ ০০:০০



মাশরুম সংগ্রহ করে পাহাড়িদের বাড়তি আয়

প্রাকৃতিক মাশরুম বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন পাহাড়ের স্থানীয়রা। বর্ষা শুরু হলেই মাশরুম জন্ম নেয়। চাষকৃত মাশরুমের চেয়ে প্রাকৃতিক মাশরুমের

গুণাগুণ অনেক বেশি, স্বাদও বেশি তাই এর মূল্য এবং চাহিদাও একটু বাড়তি।

বসতবাড়ির আঙিনা এবং খড়ের স্তুপসংলগ্ন স্থানে প্রাকৃতিক মাশরুম

তৈরি হয়। স্যাঁতস্যাঁতে স্থানে মাশরুম বেশি পাওয়া যায়। তবে রোদের আলো পড়ে এমন স্থানে খুব একটা হয় না। ভোক্তাদের নিকট চাষকৃত মাশরুমের চেয়ে প্রাকৃতিক মাশরুমের চাহিদা অনেক বেশি।

স্থানীয় বাজারে প্রাকৃতিক মাশরুম বিক্রয় হয় প্রতি কেজি ৪০০ টাকা

দরে। এত বিক্রেতারা পুঁজি বিনিয়োগ না করেই মাশরুম আহরণ করে ভালোই লাভবান হতে পারছেন।

উপজেলার লারমা স্কোয়ার বটতলী বাজারে মাশরুম বিক্রয় করছিলেন অমল কান্তি চাকমা (৩৭)।

তিনি জানান, গ্রামের যেসব বাড়িতে মাশরুম পাওয়া যায় সেখান থেকে তিনি কম মূল্যে ক্রয় করে বাজারে এনে বিক্রয় করেন।

৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করছেন; তবে চাহিদার চেয়ে প্রাকৃতিক মাশরুম অনেক কম পাওয়া যায়। অমল ২৫০ গ্রাম ওজনের আঁটি বেঁধেছেন মাশরুম দিয়ে। আর প্রতি আঁটি বিক্রয় করা হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়।

মাশরুম ক্রয় করছিলেন অনিল বড়ুয়া (৪৫)। অনিল জানান, বছরজুড়েতো আর মাশরুম পাওয়া যায় না। আর প্রাকৃতিক মাশরুমটার স্বাদ অনেক বেশি তাই দাম একটু চড়া হলেও এ মৌসুমে মাশরুম ক্রয় করতেই হয়।

খাগড়াছড়ি কৃষি কর্মকর্তা মো. রিয়াজুর রহমান জানান, মাশরুম বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আধুনিক খাবার হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। মাশরুমে প্রচুর প্রোটিন, খনিজ পদার্থসহ ভিটামিন রয়েছে। প্রাকৃতিক মাশরুম ছাড়াও সারাবছর চাষকৃত মাশরুম পাওয়া যায়।

 



মন্তব্য