kalerkantho


ব্যতিক্রম পাথরঘাটা ওয়ার্ড

কাউন্সিলরের উদ্যোগে ১৮২ ক্যামেরা স্থাপন

নিজস্ব প্রতিদেবক, চট্টগ্রাম   

৬ জুন, ২০১৮ ০০:০০



কাউন্সিলরের উদ্যোগে ১৮২ ক্যামেরা স্থাপন

কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইসমাইল বালি

চট্টগ্রাম মহানগরের ৪১টি ওয়ার্ডজুড়ে মহানগর পুলিশের সিসি ক্যামেরা আছে মাত্র ১১৬টি। আর একটি মাত্র ওয়ার্ড পাথরঘাটায় আছে ১৮২টি সিসি ক্যামেরা। ব্যক্তি উদ্যোগে এসব ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলর

মোহাম্মদ ইসমাইল বালি এর নেপথ্য নায়ক।

পাথরঘাটা ওয়ার্ডের জনসাধারণের চলাচলের পথ এখন সিসি ক্যামেরার নজরদারির মধ্যেই। একটি ক্যামেরার দৃষ্টিসীমা শেষ হলেই অন্য ক্যামেরার আওতায় আসছেন পথচারীরা। ফলে নিরাপত্তা বেড়েছে অনেকাংশে।

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর

মোহাম্মদ ইসমাইল বালি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পাথরঘাটা ওয়ার্ডে প্রায় এক লাখ লোকের বসতি। চুরি, ছিনতাইসহ নানা ধরনের ঘটনা ঘটে। তাই পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছি। পর্যায়ক্রমে পুরো ওয়ার্ড এলাকাকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। এরপর কাউন্সিলর অফিসে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু হবে।’

তিনি জানান, এখন অলিগলিতেও ক্যামেরা বসানো হচ্ছে।

সিসি ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি শুধু নিজের পকেটের টাকায় ক্যামেরা বসাচ্ছি না। এ কাজে সমাজের বিত্তবান ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন সংগঠন সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করছেন। আমি শুধু সবাইকে উৎসাহ দিচ্ছি এবং কোথায় কোন পয়েন্টে ক্যামেরা স্থাপন করা হবে তা নির্ধারণ করে দিচ্ছি। ওয়ার্ড এলাকায় ২৪০টি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা আছে।’

পাথরঘাটা ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, শুঁটকি পট্টি, শামসু হুদা লেন, ব্রিকফিল্ড রোড, সিএনবি, ৪ নম্বর গলি, নজু মিয়া লেনসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্যামেরা আছে। সেখানকার বাড়ির দেয়াল কিংবা বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বসানো হয় এসব ক্যামেরা। পাথরঘাটা ওয়ার্ডে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ করছে আর কে কম্পিউটার ট্রেডার্স ও গ্লোবাল টার্চ নামের দুটি প্রতিষ্ঠান।

আর কে কম্পিউটার ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী নওশাদ ইসলাম রবিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ক্যামেরাগুলোর ওয়ারেন্টি এক বছর। ওয়ার্ড কাউন্সিলরের মাধ্যমে আমরা পাথরঘাটা ওয়ার্ডকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার কাজ করছি।’

সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে কী ধরনের উপকার পাওয়া যাচ্ছে জানতে চাইলে ইসমাইল বালি বলেন, ‘মাদকসেবীরা এখন সতর্ক।

প্রকাশ্যে মাদকসেবন কমে এসেছে। কয়েকদিন আগে একটি মোটরসাইকের চুরি হয়েছিল। পরে ক্যামেরা ফুটেজ দেখে চোর শনাক্ত করা হয়। ছিনতাইকারীরা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়েছিল একজনের কাছ থেকে। পরে ফুটেজ দেখে তাও শনাক্ত করা হয়।’

 



মন্তব্য