kalerkantho

সপ্তাহজুড়ে

২৩ মে, ২০১৮ ০০:০০



সপ্তাহজুড়ে

বাম থেকে (উপরে) : মোহাম্মদ ইয়াসিন চৌধুরী, মোহাম্মদ মোসাদ্দেক চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আশরাফুর রহমান এবং (নিচে) মোহাম্মদ সামসুল আজিম আনসার, হাফেজ মোহাম্মদ ইদ্রিস ও এ এইচ বদর উদ্দিন।

চট্টগ্রাম সমিতি ওমান এর ৬ সদস্য সিআইপি নির্বাচিত

চট্টগ্রাম সমিতি ওমান এর সভাপতিসহ ৬ জন এবার প্রবাসী কোটায় সিআইপির (কমার্শিয়াল ইম্পটেন্ট পার্সন) মর্যাদা অর্জন করেছেন। সমপ্রতি বাংলাদেশ সরকার দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৬ সালের জন্য সারাবিশ্বের ৩৫ জন প্রবাসী বাংলাদেশিকে সিআইপি নির্বাচিত করেছে। এর মধ্যে ওমানপ্রবাসী ৭ বাংলাদেশির ৬ জনই চট্টগ্রাম জেলার।

সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন চৌধুরী ‘বাংলাদেশে বৈধ চ্যানেলে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী’ ক্যাটাগরিতে টানা তৃতীয়বারের মতো সিআইপি মর্যাদা অর্জন করেছেন। এর আগে তিনি ২০১৪ ও ২০১৫ সালে একই ক্যাটাগরিতে এই মর্যাদার অধিকারী হয়েছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার দক্ষিণ সর্তার মোহাম্মদ মুছা চৌধুরীর ছেলে। একজন সফল ব্যবসায়ী ছাড়াও সংগঠক ও সমাজসেবী হিসেবে দেশে ও প্রবাসে তাঁর সুনাম রয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম সমিতি ওমান এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

একই ক্যাটাগরিতে সমিতির উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোসাদ্দেক চৌধুরী দ্বিতীয়বারের মতো সিআইপি হয়েছেন। তিনি আনোয়ারা উপজেলোর তেকোটা গ্রামের আবদুর রহমান চৌধুরীর ছেলে। এর আগে ২০১৫ সালে তিনি প্রথম সিআইপি হন। তিনি রিয়াল এস্টেট ও কনস্ট্রাকশন ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত।

এছাড়া সমিতির নির্বাহী সদস্য এবং বাংলাদেশ স্কুলের পরিচালক রাউজান উপজেলার গশ্চি দেওয়ানপুরের মাহামদুর রহমানের ছেলে ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আশরাফুর রহমান, দক্ষিণ গুজরার ওহাব মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ সামসুল আজিম আনসার এবং সাতকানিয়া উপজেলার গারাঙ্গিয়ার মৌলভি মোখলেসুর রহমানের ছেলে হাফেজ মোহাম্মদ ইদ্রিস একই ক্যাটাগরিতে প্রথমবারের মতো সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্যদিকে ‘বিদেশে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানিকারক’ ক্যাটাগরিতে মিরসরাই উপজেলার আজিজুল হক চৌধুরীর ছেলে এ এইচ বদর উদ্দিন সিআইপির মর্যাদা অর্জন করেন। তিনি ওমানে বাংলাদেশ থেকে খাদ্যশস্য আমদানি করেন।

নির্বাচিত সিআইপিরা এক বছর পর্যন্ত বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার, সচিবালয়ের প্রবেশপত্র,  সরকার নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট বিষয়ক নীতি নির্ধারণী কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তসহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

এই অর্জনের জন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা আর নির্বাচিত সিআইপিদের অভিনন্দন জানিয়েছে চট্টগ্রাম সমিতি ওমান। দেশে এবং প্রবাসে চট্টগ্রামকে এগিয়ে নিতে তাঁরা বেশি সক্রিয় হবেন এবং অবদান রাখবেন বলে সমিতির সকল সদস্যের প্রত্যাশা।-দ্বিতীয় রাজধানী ডেস্ক

 

অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের সঙ্গে নৃত্যশিল্পী তর্না পাটোয়ারী।

ফেনীর নৃত্যশিল্পী তর্নার জাতীয় শিশু পুরস্কার অর্জন

ফেনীর নৃত্যশিল্পী তর্না পাটোয়ারী ভরতনাট্যমে তৃতীয় স্থান অধিকার করে জাতীয় শিশু পুরস্কার অর্জন করেছে। সম্প্রতি রাজধানীর শিশু একাডেমি মিলনায়তনে তার হাতে পদক ও সনদ তুলে দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। এ সময় শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকী।

ফেনীর আশুতোষ পাটোয়ারী ও মনজু পাটোয়ারির মেয়ে তর্না পাটোয়ারী গত ৮ বছর ধরে পূবালী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নাচ শিখছে। ইতোমধ্যে সে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক প্রতিযোগিতায়ও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে। ফেনীর পূবালী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রধান সমন্বয়কারী সমরজিৎ দাশ টুটুল বলেন, তর্না নিয়মিতভাবে চর্চা চালিয়ে গেলে ভবিষ্যতে অনেক বড় নৃত্যশিল্পী হতে পারবে।

তিনি জানান, পূবালীতে সে ৮ বছর ধরে চর্চা করার পর বর্তমানে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে।

ফেনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তর্না। বর্তমানে পূবালীর ‘গুরু-শিষ্য পরম্পরা’ পর্যায়ে সে বিশিষ্ট নৃত্য প্রশিক্ষক বৈশাখী মজুমদারের তত্ত্বাবধানে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে এবং পূবালীতেও নিয়মিত ক্লাস নিচ্ছে। তর্না বলেছে, ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণের সময় কী যে ভালো লাগছিল, আনন্দ লাগছিল-তা বলে বোঝানো যাবে না।’

সে জানায়, বাবা-মাসহ সবার উৎসাহ, অনুপ্রেরণায় সে এতদূর আসতে পেরেছে।

তর্নার বাবা আশুতোষ পাটোয়ারী দীর্ঘ সময় প্রবাসে কাটিয়ে এখন দেশেই ব্যবসা করছেন। ফেনী শহরের মাস্টারপাড়ায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন তিনি। আশুতোষ বলেন, ‘সবার সহযোগিতা আর আশীর্বাদ নিয়ে তর্না এতদূর আসতে পেরেছে।’ এজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা জানান।-ফেনী প্রতিনিধি

 

বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটিতে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং কনটেস্ট

বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে ১৪তম আন্তঃবিভাগীয় প্রোগ্রামিং কনটেস্ট ২০১৮ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. হযরত আলী মিয়ার সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সম্প্রতি সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর অজিত কুমার দাশ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মোহাম্মদ নুরুল হুদা শিকদার, রেজিস্ট্রার এএফএম আখতারুজ্জামান কায়সার, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. নুরুল আবছার, ডেপুটি রেজিস্ট্রার সালাহ্উদ্দীন শাহরিয়ার, প্রোগ্রামিং কনটেস্ট বিষয়ক প্রশিক্ষক হাওলাদার  টেকনোলজিসের চিফ টেকনিক্যাল অফিসার শাহীন মোহাম্মদ ফারুক, প্রোগ্রামিং কনটেস্টের কো-অর্ডিনেটর অভিজিত পাঠক।

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের ৩১টি দল প্রোগ্রামিং কনটেস্টে অংশগ্রহণ করে। এতে ৭টি প্রশ্নের মধ্যে ৬টি প্রশ্নের সমাধান করে বিজিসি মাস্টারমাইন্ড চ্যাম্পিয়ন, ৫টি করে প্রশ্নের সমাধান করে বিজিসি ডেকোডারস্ ১ম রানার আপ এবং বিজিসি পাল্স অব প্রোগ্রামস দ্বিতীয় রানার আপ নির্বাচিত হয়। বিজ্ঞপ্তি

রাউজানের শেখ ফরিদ সিআইপি হলেন

রাউজান ইমাম গাজ্জালী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ আল আইন কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা, শেখ ফরিদ আহমেদ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সিআইপি মনোনীত হয়েছেন। বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী হিসেবে তাঁকে এ মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। শেখ ফরিদ রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের পাঁচখাইন গ্রামের মৃত হাজী সুলতান আহমদের ছেলে। এই কৃতিত্ব অর্জনে তিনি সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।-রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

 

দুঃস্থদের পাশে ইসলামী নব জাগরণ

রাউজান ইসলামী নব জাগরণের ব্যবস্থাপনায় আরব আমিরাত প্রবাসী শাখার বিশেষ সহযোগিতায় রাউজানের ৩০০ পরিবার এবং বিভিন্ন মাদ্রাসায় ইফতারসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। গত শনিবার ও শুক্রবার দুই দিনব্যাপী দক্ষিণ গহিরা, খলিলাবাদ, সুলতানপুর, ছত্রপাড়া, তোতাগাজী বাড়ি, উত্তর আলীখিল, আরবনগর ও কান্দিপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ইফতারসামগ্রী বিতরণ করেন সংগঠনের কর্মকর্তারা। সংগঠনের সভাপতি মুহাম্মদ হানিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন রাউজান জমিয়তুল ওলামার মহাসচিব মাওলানা কে এম আলমগীর মাসউদ আরবনগরী।

অতিথি ছিলেন মুহাম্মদ হানিফ, আখতার মাস্টার, মাওলানা বদরুল, মাওলানা সাইফুল্লাহ, মুহাম্মদ আরিফ, মাওলানা ওসমান খলিলাবাদী, আল মাওলানা হোসাইন, ইরফান সোলাইমান, হাফেজ হারুনুর রশীদ, মাওলানা শোয়াইব আরবনগরী, মাওলানা রাশেদ শাহনগরী, মাওলানা খোরশেদ, মহিউদ্দীন, মুসলিম উদ্দিন, মাওলানা নজরুল, এরশাদুল ইসলাম, ইব্রাহিম ফুআদ, জিয়া উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, মুসলিমউদ্দীন, এম এ রহিম, এস এম মহিউদ্দীন, আল-ফয়সাল, সাহাবুদ্দিন, মোরশেদ প্রমুখ।-রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

 

চকরিয়া-পেকুয়ায় ইফতারসামগ্রী বিতরণ

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে চকরিয়া ও পেকুয়ার ৫ শতাধিক হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ১৪ মে ইফতারসামগ্রী বিতরণ করেছেন জামায়াত নেতা আরিফুর রহমান চৌধুরী মানিক। এ সময় তিনি দরিদ্র পরিবারগুলোর সহায়তায় সমাজের বিত্তবানদেরকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার দাবি জানান।

তাঁর সঙ্গে ছিলেন পেকুয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও চকরিয়া-পেকুয়া উন্নয়ন ফোরামের মহাসচিব অধ্যাপক নুরুজ্জামান মঞ্জু, চকরিয়া দক্ষিণ জামায়াতের আমির মোজাম্মেল হক, মোক্তার হাসান, মাওলানা সামশুল আলম, শহীদুল আলম চৌধুরী, মাওলানা কামাল উদ্দীন, উন্নয়ন ফোরামের দপ্তর সম্পাদক হামিদ হোসাইন সেলিম, সাহারবিল উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি তাওহীদুল ইসলাম নূরী প্রমুখ।-চকরিয়া প্রতিনিধি

 

চকরিয়ায় জঙ্গিবাদবিরোধী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অতিথির সঙ্গে অংশগ্রহণকারীরা।

‘জঙ্গিবাদ নির্মূলে ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ‘ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমপ্রীতির বাংলাদেশ’ এই স্লোগানে তরুণ-আলো প্রকল্প-ইলমা ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের আয়োজনে জঙ্গিবাদ-সহিংসতা নিরসনে ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন হয়েছে। ১৫ মে ভরামুহুরী আইসিডিডিআরবি হলরুমে ব্যতিক্রমী এই কর্মশালার প্রথম পর্বে প্রশিক্ষক ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি কক্সবাজার শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুছ আনোয়ারী আল আজাহারী ও চকরিয়া পৌরসভা ইমাম সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন ফারুক। প্রশিক্ষণে চকরিয়া উপজেলার ১০াট জামে মসজিদের খতিব ও ইমামরা অংশ নেন।

এ সময় তাঁরা জঙ্গিবাদ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মের প্রতিনিধিরা আলোচনায় ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে শান্তি ও সমপ্রীতির অমিয় বাণী উপস্থাপন করেন। পর্বটি পরিচালনা করেন সিআরসিডির প্রধান নির্বাহী ইকবাল বাহার ছাবেরী ও প্রজেক্ট ম্যানেজার ফোরকান মাহমুদ।-চকরিয়া প্রতিনিধি

 

চট্টগ্রামের হালিশহরে বিভিন্ন মসজিদে সংসদ সদস্য এম এ লতিফের ফ্যান বিতরণ।



মন্তব্য