kalerkantho


টিআইসিতে ‘নবোন্মেষ’

৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০




টিআইসিতে ‘নবোন্মেষ’

নগরীর টিআইসি মিলনায়তনে ২৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় চার তরুণের সুরের আবেশে দুঘণ্টা বুঁদ হয়েছিলেন দর্শক। সংগীতের মূলমন্ত্র, সুরকে সঙ্গী করে বহুদূর এগিয়ে যাওয়ার পাথেয় নিয়ে যাত্রা শুরু করা এ চার তরুণশিল্পী হলেন রুবেল চৌধুরী, অন্বেষা চক্রবর্ত্তী, সজীব চৌধুরী ও পিউ রক্ষিত।

রবীন্দ্র, নজরুল, দেশাত্মবোধক ও আধুনিক গানের সুরের ভেলা ভাসিয়েছেন শিল্পীরা নিরন্তর ভালোবাসায়। সুরের সুধা নিতে দর্শকদের উপস্থিতিও ছিল বেশ উল্লেখযোগ্য। অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে দলীয়ভাবে পরিবেশনা ছিল ‘আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে’। শিল্পীদের সঙ্গে দর্শকরাও আপন মনে গেয়ে উঠেন গানটি। এরপর শুরু হয় একক পরিবেশনা। শিল্পী অন্বেষা চক্রবর্তী সুকণ্ঠে ঢেলে দেন ‘অঞ্জলী লহ মোর’ ও দেশাত্মবোধক গান ‘এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও’। এরপর শিল্পী সজীব চৌধুরী ‘তোমার টানে সারাবেলার গানে’ ও ‘জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজো আমি ’।

সজীব এর কণ্ঠে দর্শক মুগ্ধ। এরপর সুললিত কণ্ঠে পিউ রক্ষিত মিতালী মুখার্জির জনপ্রিয় গান ‘আমি কি তোমার মতো এতো ভালবাসতে পারি’ এবং লতা মঙ্গেশকরের ‘ যারে যারে উড়ে পাখি’ হৃদয় ছুঁয়ে যায়। শিল্পী রুবেল চৌধুরীর ভরাট কণ্ঠে উঠে আসে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের ‘মেঘ কালো আঁধার কালো’ ও প্রয়াত আব্দুল জব্বারের ‘তুমি কি দেখছ কভু জীবনের পরাজয়’।

সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যাপীঠের প্রতিভাবান শিল্পীদের সংগীত সন্ধ্যা ‘নবোন্মেষ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রামের আঞ্চলিক পরিচালক এস এম আবুল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ।

অনুষ্ঠানে সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যাপীঠের পরিচালক সুব্রত দাশ অনুজ যন্ত্রসঙ্গীদের বিদ্যাপীঠের স্মারক ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

যন্ত্রসঙ্গীরা হলেন সৃজন রায়, প্রীতম আচার্য, সানি দে, জুয়েল দাশ, শ্যামল দাশ, মো. আসিফুল আলম, তন্ময় বডুয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন শ্রাবণী দাশগুপ্তা। বিজ্ঞপ্তি

 



মন্তব্য