kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

টেকনাফে দুই ‘ইয়াবা কারবারি ও ইজিবাইক চালকের লাশ উদ্ধার

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

৩ নভেম্বর, ২০১৮ ০২:৩৪



টেকনাফে দুই ‘ইয়াবা কারবারি ও ইজিবাইক চালকের লাশ উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফে দুই ‘ইয়াবা কারবারি’ ও এক ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য, ইয়াবা কারবারি দুজনের নামই সাদ্দাম। তারা বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। তাদের একজন হ্নীলা ইউনিয়নের পূর্ব সিকদারপাড়ার তোফায়েল আহমদের ছেলে এবং অপরজন সাবরাং ইউনিয়নের সোলতান আহমদের ছেলে। এ ছাড়া ইজিবাইক চালক জিয়াউর রহমানের বাবার নাম ছিদ্দিক আহমদ। বাড়ি সদর ইউনিয়নের কচুবনিয়া এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে টেকনাফের সাবরাং বাজার ও হ্নীলা বাজারে অভিযান চালিয়ে সাদ্দাম নামের দুই ইয়াবা কারবারিকে আটক করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গতকাল শুক্রবার ভোরে সাবরাংয়ের খুরের মুখ সাগর সৈকত এলাকায় মজুদ রাখা ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারে যায় পুলিশের একটি দল। এ সময় আটককৃতদের দলের লোকজন তাদের ছাড়িয়ে নিতে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে ওই দুই ইয়াবা কারবারির গুলিবিদ্ধ লাশ এবং তিনটি দেশীয় বন্দুক, ৩০ রাউন্ড গুলি ও ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের এসআই আমির হোসেন, কনস্টেবল মহিউদ্দিন, মেহেদী হাসান ও আবদুস শুকুর আহত হয়েছেন।

এদিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের কচুবনিয়ায় একটি কালভার্টের নিচে থেকে এক ইজিবাইক চালকের লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশটি একই এলাকার ছিদ্দিক আহমদের ছেলে জিয়াউর রহমানের বলে শনাক্ত করে স্থানীয়রা। জিয়াউর বুধবার সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ ছিল বলে পরিবারের সদস্যরা জানায়।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, নিহত দুই সাদ্দামই তালিকাভুক্ত অস্ত্রধারী ও ইয়াবা কারবারি। সাবরাং এলাকার সাদ্দামের নামে চারটি ও হ্নীলার সাদ্দামের নামে সাতটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া একই দিন পৃথক স্থানে এক ইজিবাইক চালকের লাশ পাওয়া গেছে। লাশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।



মন্তব্য