kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

সাবধান

চট্টগ্রামে রিকশাচালকের বেশে পণ্যচোর

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২০ অক্টোবর, ২০১৮ ০১:১৮



চট্টগ্রামে রিকশাচালকের বেশে পণ্যচোর

অভিনব কায়দায় পণ্য চুরির সংঘবদ্ধ একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার পুলিশ। এই চোরের দল নিজেদের রিকশা ও চালক ব্যবহার করে যাত্রীকে বোকা বানিয়ে পণ্য চুরি করে। এ রকম কয়েকটি ঘটনা ঘটার পর চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে নারীসহ এ চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত চারজন হলেন মো. শাহ আলম, তাঁর স্ত্রী সাথী বেগম, মোহাম্মদ হাছান ও মোহাম্মদ হাসান। তাঁদের কাছ থেকে পুলিশ ছিনতাই করা বেশ কিছু থ্রিপিস কাপড় উদ্ধার করেছে।

কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন বলেন, প্রথমে চক্রটি একজন ব্যবসায়ীকে টার্গেট করে যাত্রী হিসেবে মালামালসহ রিকশায় তোলে। এ দলে তাদেরই একজন রিকশা চালায়। চালক বেশে থাকা ব্যক্তি নিজের অসহায়ত্ব দেখিয়ে যাত্রীকে একটু রিকশা ধাক্কা দিতে বলে। আর অন্যরা যাত্রীর সঙ্গে কৌশলে ঝগড়া বাধায়। এই সুযোগে চালক মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ধরনের অভিযোগ আসার পর গতকালই চক্রটিকে ধরতে সক্ষম হয় জানিয়ে ওসি মোহাম্মদ মহসিন আরো বলেন, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোহাম্মদ ইলিয়াছ নামের এক ব্যক্তি রিয়াজউদ্দিন বাজার থেকে রিকশায় করে ১০৫টি থ্রিপিস নিয়ে এক কিলোমিটার দূরে টেরিবাজারে যাচ্ছিলেন। চট্টগ্রাম পোস্ট অফিস বা জিপিওর সামনে পৌঁছানোর পর চালক ‘অসহায় সুরে’ রিকশা টানতে না পারার কথা জানিয়ে যাত্রী ইলিয়াছকে নেমে ধাক্কা দিতে বলে। এ সময় ইলিয়াছের সঙ্গে নিজ থেকে ধাক্কা লেগে মোবাইল ফোনসেট ফেলে দিয়ে রিকশাচালক ঝগড়া বাধায়। অন্যরাও তার সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে গেলে চালক রিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনার পর মালামাল চুরির অভিযোগে মোহাম্মদ ইলিয়াছ বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। এর পর থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সাথী বেগমের বাসা থেকে ১০৫টি থ্রিপিস উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার চোরের দল কাজীর দেউড়ি, টেরিবাজার, রিয়াজউদ্দিন বাজার এলাকায় অবস্থান নিয়ে মালামাল সঙ্গে থাকা যাত্রীদের টার্গেট করে। আগেও তারা এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটিয়েছে উল্লেখ করে পুলিশ জানায়, শাহ আলম ও হাসানের বিরুদ্ধে নগরী ও ফেনীর বিভিন্ন থানায় কয়েকটি মামলা রয়েছে। আগেও তাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।



মন্তব্য