kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

টেকনাফ সীমান্তে এক রাতেই ৯ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০১:১২



টেকনাফ সীমান্তে এক রাতেই ৯ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা পাচার থেমে নেই। ইয়াবা পাচার রোধে সীমান্তে র‌্যাবের একে একে ৫টি ক্যাম্প স্থাপনের পরেও ইয়াবা কারবারিরা এখনো বেপরোয়া। সীমান্ত দিয়ে পাচারকালে শুক্রবার এক রাতেই উদ্ধার হয়েছে ৯ লাখ পিস ইয়াবার চালান।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ২ ব্যাটালিয়ানের সদস্যরা টেকনাফ সীমান্তে শুক্রবার দিবাগত এক রাতের পৃথক অভিযানে উদ্ধার করেছে এ পরিমাণ ইয়াবা। উদ্ধার করা ইয়াবার চালানের দাম প্রায় ২৭ কোটি টাকা। এ পরিমাণ ইয়াবার চালান উদ্ধারের সময় পাচারকারীরা পালিয়ে গেছে।

টেকনাফ বিজিবি সুত্র জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে মিয়ানমার থেকে বড় চালানের ইয়াবা পাচারের সংবাদ আগেই বিজিবি সদস্যদের জানা ছিল। গোপন সূত্রের এমন তথ্যে বিজিবি ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. আছাদুদ-জামান চৌধুরী এর নেতৃত্বে নাজিরপাড়া বিওপির একটি বিশেষ টহলদল সদস্যরা অভিযান পরিচালনার জন্য নাফনদ তীরে যথারীতি ওৎ পেতে ছিলেন। রাতের শেষ ভাগের দিকে টেকনাফস্থ নাজিরপাড়া আড়িয়াখাল এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে যথারীতি ইয়াবার একটি বড় চালান এসে পৌঁছে।

এমন সময় আনুমানিক ২০/২৫ জন লোককে ৮টি বস্তা মাথায় করে খাল পার হয়ে আসতে দেখে টহলদল তাদের চ্যালেঞ্জ করে। টহলদলের উপস্থিতি লক্ষ্য করা মাত্রই বর্ণিত ব্যক্তিরা দ্রুত দৌড়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের উপর দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে টহলদল তাদের পিছু ধাওয়া করে। একপর্যায়ে ইয়াবা পাচারকারীরা তাদের মাথায় থাকা বস্তাগুলো ফেলে রেখে পার্শ্ববর্তী গ্রামে পালিয়ে যায়। পাচারকারী কর্তৃক ফেলে যাওয়া ৮টি বস্তা হতে ২৪ কোটি টাকা মূল্যমানের ৮ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি-২ ব্যাটালিয়ানের অতিরিক্ত পরিচালক শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার আরো জানান, টেকনাফের সাবরাং বিওপির নায়েক সুবেদার মো. মোক্তার হোসেন এর নেতৃত্বে অপর একটি টহল দল হাড়িয়াখালী লবন মাঠ এলাকা থেকে প্রায় একই সময়ে আরো এক লাখ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করে। এ পরিমাণ ইয়াবার মূল্য প্রায় তিন কোটি টাকা। পাচারকারির দল এ সময় পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।



মন্তব্য