kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

রবিউলের পাশে ছাত্রলীগসহ শিক্ষার্থীরা

সাত দাবিতে চবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি    

৯ আগস্ট, ২০১৮ ১৫:০৭



সাত দাবিতে চবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ

শাটল ট্রেনের সংখ্যা ও বগি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সমস্যা নিরসন ও নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে চবি ছাত্রলীগ।

দুর্ঘটনায় পা হারানো সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী রবিউল আলমের ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তাসহ সাত  দফা দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এতে ছাত্রলীগ কর্মীসহ কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন।

আজ বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টার দিকে চবি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

চবি শাখা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি সুজনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ওই কমিটির সভাপতি আলমগীর টিপুসহ বিভিন্ন ছাত্রলীগ নেতা ও দুর্ঘটনায় পা হারানো রবিউলের সহপাঠীরা।

বক্তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থার সংকট নিয়ে আন্দোলন করে আসছি। কিন্তু প্রশাসন আমাদের দাবি কখনও কানে নেয়নি। যদি তারা পরিবহন সংকটের বিষয়টি সমাধান করতেন তাহলে মেধাবী রবিউলের পা হারানোর মতো এমন অবস্থা হতো না।

বক্তারা আরো বলেন, শাটলে চার থেকে পাঁচটি বগি তাতেও আবার মালবাহী বগি থাকে। প্রতিদিন ঠাসাঠাসি করে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে আসা-যাওয়া করে। প্রশাসনের এসব চোখে পড়ে না। হলের খাবারেরও ন্যূনতম কোনও মান নেই, রাস্তাঘাট বেহালে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব সমস্যা সমাধান করতে হবে। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন করে প্রশাসনের কাছ থেকে এসব দাবি আদায় করা হবে। তাঁরা বলেন, আমরা চাই রবিউলের যাবতীয় চিকিৎসা খরচ যেন প্রশাসন বহন করে এবং ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তার জন্য তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির ব্যবস্থা করে দেয়।

সাত দফা দাবি  

শাটলের বগি বৃদ্ধি, শাটলের বগি সংস্কার, রেললাইন সংস্কার, ষোলশহর থেকে ক্যম্পাস পর্যন্ত ডাবল লাইন চালু, প্রত্যেক স্টেশনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদার ও জনবল নিয়োগ, শাটলে বহিরাগতদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ, রবিউলের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ও ভবিষ্যত নিশ্চয়তার জন্য চাকরির ব্যবস্থা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেইট থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত বাস সার্ভিস চালু করা।

গতকাল বুধবার শাটল ট্রেনে দুই পা হারান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী রবিউল আলম। 



মন্তব্য